গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ্‌ চৌধুরী বলেছেন, কাউকে সংবর্ধনা দিতে দেবেন না, বক্তব্য রাখতে দেবেন না, সমালোচনা করতে দেবেন না, এটা ভালো কাজ না। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবেন না। মিছিল-মিটিংয়ে হস্তক্ষেপ করবেন না। ডিএমপিকে অনুরোধ করছি এই সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিবেচনার জন্য।

বৃহস্পতিবার ধানমন্ডি গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের সামনে সম্প্রতি তিন বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীর মধ্যে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কম্বল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাফরুল্লাহ্‌ চৌধুরী বলেন, দেশের এই কান্তিকালে, এই দুর্যোগের মুহূর্তে ডিএমপির একটি নোটিশ মর্মাহত করেছে। সভা-সমাবেশ করার জন্য অবশ্যই পুলিশকে অবহিত করা হবে। কিন্তু অনুমতি নিতে চাইলে তো অনুমতি দেওয়া হয় না। এটা সবার জানা কথা।

তিনি বলেন, সভা-সমাবেশের জন্য প্রশাসনকে জানানো হবে, যাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে পারে। এখন পর্যন্ত যতগুলো বিশৃঙ্খলা হয়েছে তার জন্য সরকারই দায়ী। আজকে ভাস্কর্য-মূর্তির ঝামেলা তৈরি করতে সরকার মদদ দিয়েছে। যখন দেখছে সামাল দেওয়া যাচ্ছে না তখন এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

এ সময়ে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর ও ঐক্যবদ্ধ ছাত্র পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদউল্লাহ মধুর কাছে এক হাজার কম্বল ও এক হাজার পরিবারের খাদ্যসামগ্রী হস্তান্তর করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে গণস্বাস্থ্যের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মঞ্জুর কাদির আহমেদ বলেন, সম্প্রতি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে এবং অসহায় মানুষের জন্য আরও সাহায্য করতে পারব বলে আশা রাখি। করোনার সময়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ২০ হাজার অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গণমাধ্যম উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টুর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এইচ আর পরিচালক আকলিমা খাতুন ও কর্মকর্তা শাহানাজ।