বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে সরকার সবচেয়ে বড় দুর্নীতি করেছে। যে অধিকারের জন্য পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলাম, আজ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে সেই একইরকম রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আজ নির্বাচন কমিশনের দুর্নীতি নিয়ে বিশিষ্টজনরা কথা বলেছেন। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়ার প্রতিবাদে তারা কথা বলছেন।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে নাগরিক ঐক্যের উদ্যোগে 'গণঅভ্যুত্থান দিবসের ডাক স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজ আমরা জনগণের ঐক্য গড়ে তুলতে চাই। জনগণের ঐক্যের মধ্য দিয়ে এই সরকারকে সরিয়ে সত্যিকার অর্থেই জনগণের সরকার, জনগণের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আসুন সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের প্রত্যাশা, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের যে প্রত্যাশা, ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনে মানুষের যে প্রত্যাশা, সেই প্রত্যাশাকে পূরণ করার জন্য একটা গণঅভ্যুত্থান করতে হবে। এর মধ্যে দিয়ে আমরা সরকারকে পরাজিত করি বা তাদেরকে সরে যেতে বাধ্য করি।

ভারত সরকারের উপহারকৃত টিকার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, এই ভ্যাকসিন নিয়ে মানুষের যথেষ্ট রকমের সন্দেহ আছে। মানুষ অনেক কথা বলছে। মানুষের এই সন্দেহ, অনাস্থা দূর করার জন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের প্রধানমন্ত্রীরও প্রথম টিকাটা নেয়া উচিত। তাহলে সব মানুষের আস্থা ফিরে আসবে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, এই সরকার মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। করোনার টেস্ট থেকে শুরু করে এখন ভ্যাকসিন নিয়ে একই কাজ করছে। সর্বক্ষেত্রে জনগণের সাথে সরকার প্রতারণা করছে। এদের প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে- লুট করা এবং দুর্নীতি-লুটপাট।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল্লাহ কায়সারের পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ ও নাগরিক ঐক্যের এসএম আকরাম প্রমুখ।

বিষয় : বিএনপি মহাসচিব ভোট

মন্তব্য করুন