বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, দলের হাইকমান্ড নির্দেশ দিয়েছে হরতাল প্রত্যাহার করার জন্য। হাইকমান্ডের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। রোববার পূর্বঘোষিত হরতাল ও ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সংবাদ সম্মেলন প্রত্যাহার করে নিলাম। হাইকমান্ড আশ্বাস দিয়েছে, নোয়াখালীর অপরাজনীতি তারা দেখবে। যদি হাইকমান্ড সিদ্ধান্ত না দেয়, তাহলে সবাইকে নিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখব।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট রূপালী চত্বরে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে কাদের মির্জা বলেন, এটা কিসের নির্বাচন, যে নির্বাচনে তিনটা মায়ের বুক খালি হয়েছে, অনিয়ম হয়েছে; এ নির্বাচন মেনে নেওয়া যায় না। নির্বাচন হতে হবে বসুরহাটের মতো। তিনি বলেন, চৌমুহনী পৌরসভা নির্বাচনে অনিয়ম হলে, প্রশ্নবিদ্ধ হলে এর দায়দায়িত্ব একরাম চৌধুরীর 'গৃহপালিত' নোয়াখালীর ডিসি, এসপিকে নিতে হবে, তাদের জবাব দিতে হবে।

একরাম চৌধুরীকে উদ্দেশ করে কাদের মির্জা বলেন, তিনি নোয়াখালীর অপরাজনীতির হোতা, টেন্ডার বাণিজ্য, চাকরি বাণিজ্য, পিয়নকে চাকরি দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা নেন। তিনি বলেন, এক দফা, এক দাবি- একরাম তুই কবে যাবি।

কাদের মির্জা বলেন, কবিরহাট ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী এলাকা, সেই এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঘোষণা দেয় একরাম চৌধুরী। কোন ক্ষমতাবলে চেয়ারম্যান প্রার্থী দেয়? চেয়ারম্যান প্রার্থী দেবেন ওবায়দুল কাদের। টাকার বিনিময়ে প্রার্থী দিচ্ছে একরাম। এতে ত্যাগী নেতারা বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি আওয়ামী লীগ নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ভোট এলে টাকা দিয়ে নমিনেশন নেন, লোকজনের সঙ্গে সম্পর্ক নেই, গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করেন না, আন্ডু, পান্ডু ও গান্ডুদের ব্যবহার করে টাকা-পয়সা দিয়ে ভোটে জিতে যান, এটা হতে পারে না। তাদের থেকে নেত্রীকে সাবধান হতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা ও শিল্পপতি গোলাম শরীফ চৌধুরী পিপুল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতা আইয়ুব আলী প্রমুখ।


বিষয় : বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা

মন্তব্য করুন