স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠান চলাকালে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার, তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৯টি সংগঠন।

সোমবার এক বিবৃতিতে এসব সংগঠনের নেতারা বলেন, সভা-সমাবেশ, মতপ্রকাশ ও প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করা জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে এসে এই অধিকার কেড়ে নেওয়ার যে কোনো নির্দেশ গণতন্ত্রহীন এক পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার দৃষ্টান্ত।

বিবৃতিতে বলা হয়, কট্টর সাম্প্রদায়িক ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আসার বিরোধিতা করার অধিকার জনগণের রয়েছে। এই বিরোধিতাকে 'রাষ্ট্রবিরোধী' বলে উল্লেখ করার অর্থ কী, তা বলতে হবে। বিবৃতিতে সীমান্ত হত্যা, ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধন আইন, দলিত, মুসলমান, কৃষক ও আদিবাসীদের ওপর নিপীড়নের বিষয় তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (কেন্দ্রীয় পাঠচক্র ফোরাম) সমন্বয়ক শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল সম্পাদক ফয়জুল হাকিম, জাতীয় গণফ্রন্ট সমন্বয়ক টিপু বিশ্বাস, নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা সভাপতি জাফর হোসেন, গণমুক্তি ইউনিয়ন আহ্বায়ক নাসিরুদ্দিন আহমেদ নাসু, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির সম্পাদক সারওয়ার মোর্শেদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চ সভাপতি মাসুদ খান, বাসদ (মাহবুব) আহ্বায়ক সন্তোষ গুপ্ত ও কমিউনিস্ট ইউনিয়ন আহ্বায়ক ইমাম গাজ্জালী।