আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভারতবিদ্বেষী যে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী ঢাকা, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ জাতীয় মসজিদের ভেতর তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে, বিএনপি সেই অপশক্তির পৃষ্ঠপোষক। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সফলতায় বিএনপির এই গাত্রদাহ। এই সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সহিংস অপতৎপরতা রুখতে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব শক্তি ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভার সূচনা বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা সভায় যুক্ত ছিলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি যখন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের জন্য কর্মসূচি ঘোষণা করে, তখন জাতির সামনে প্রশ্ন আসে, তাদের কি এসব করার নৈতিক অধিকার আছে? আবার ঘোষণার পরও ২৫ ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন না করে করোনার ভুয়া অজুহাতে কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেওয়াও জনমনে আরেক রহস্যের জন্ম দিয়েছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রের অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষতার পরিবর্তে ধর্মের লেবাস পরিয়ে দেন। চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদার করেন তিনি। পরে খালেদা জিয়াও স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা তুলে দেন।