প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, করোনাকালে সরকারের সিন্দুকে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা রেখে লাভ হবে না। এ টাকা দরিদ্র মানুষের কাজে ব্যবহার করতে হবে। করোনায় কর্মহীন মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে। আড়াই কোটি দুস্থ পরিবারের জন্য এক মাসের খাদ্যের জোগান নিশ্চিত করতে হবে।

শনিবার ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালের সামনে করোনার কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে হকার, শ্রমিকদের জন্য খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে একটি পরিবারের এক মাস চলার মতো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ২০ কেজি চাল, ৪ কেজি আটা, ৫ কেজি আলু, এক কেজি মসুর ডাল, এক কেজি ছোলা, এক কেজি পেঁয়াজ, এক কেজি চিনি, আধা কেজি লবণ, আধা লিটার সয়াবিন তেল, ৮০ গ্রাম সরিষার তেল এবং ৩০ গ্রাম শুকনা মরিচ দেয়া হয়। প্রথম পর্যায়ে ঢাকা, গাজীপুর, আশুলিয়া এবং চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ৬০০ পরিবারকে এই খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

প্রশাসনকে ব্যবহার করে কর্মহীন-অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য সহায়তা পাঠানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, দেরিতে হলেও ভ্যাকসিন তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অণুজীব বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীলকে দেশে ফিরিয়ে এনে ভ্যাকসিন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে উদ্যোগ নেওয়ার জন্যও সরকারকে অনুরোধ জানান তিনি।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. মনজুর কাদির আহমেদ বলেন, ঈদের আগে কমপক্ষে এক হাজার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করার আশা করছি। আপনাদের জাকাতের অর্থ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে দান করুন, মানবতার সেবায় অংশ নিন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ উলফত, সাংবাদিক নেতা শফিউল আলম দোলন ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।