জনগণের গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠায় শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বামপন্থি ৯টি সংগঠন। 

নেতারা বলেছেন, দেশ স্পষ্টত দু'ভাগে বিভক্ত। একদিকে শ্রমিক শ্রেণিসহ শ্রমজীবী জনগণ, অন্যদিকে লুটেরা সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ী শাসক শ্রেণি। জনগণের রাজনৈতিক স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে গঠিত জাতীয় সংসদ ব্যবসায়ীদের ক্লাবে পরিণত হয়েছে। জনগণের মুক্তির জন্য এই ব্যবসায়ী শোষক শাসক শ্রেণির 'ফ্যাসিবাদী শাসন উচ্ছেদের' সংগ্রামে শ্রমিক শ্রেণিকে নেতৃত্ব দিতে হবে।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মহান মে দিবস উপলক্ষে ৯টি সংগঠনের সমাবেশে নেতারা এসব কথা বলেন। 

৯ সংগঠনের সমন্বয়ক ও জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের সমন্বয়ক শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের সভাপতি মাসুদ খান, জাতীয় গণফ্রন্টের নেতা কাওসার মনসুর এবং গণমুক্তি ইউনিয়নের নেতা রেজাউল আলম। সমাবেশ পরিচালনা করেন বাসদ (মাহবুব) নেতা মহিনউদ্দিন চৌধুরী লিটন।

সমাবেশে নেতারা আরও বলেন, অবিলম্বে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকলগুলো চালু করতে হবে। করোনাকালে শ্রমিকদের ঝুঁকিভাতা দিতে হবে। প্রত্যেক শ্রমিকের নিয়োগপত্র, ন্যূতম মজুরি, আট ঘণ্টা কর্মদিবস এবং অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন অধিকারের দাবিতে জাতীয় ভিত্তিতে শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান নেতারা।

মন্তব্য করুন