বিনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, জিয়াউর রহমানের রাজনীতি  ছিল কর্ম নির্ভর। আর যারা জিয়াউর রহমানকে অপছন্দ করেন তাদের রাজনীতি হলো ভাষণ নির্ভর।

তিনি জানান, জিয়াউর রহমান কথা কম বলতেন, কাজ বেশি করতেন। তিনি অচলাবস্থা থেকে জাতিকে সচল করেছেন। তার প্রতি সবার কৃতজ্ঞতা থাকা উচিত।

শুক্রবার বিকেলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪০ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর বলেন, আমি জিয়ার কথাই বলবো, বারবার বলবো। আমি জিয়ার পথেই চলবো এবং জিয়ার কথাই বলবো। আমাদের এই রাষ্ট্রীয় জীবনে জিয়াউর রহমান আকস্মিকভাবে উপস্থিত হয়েছিলেন জাতির ক্রান্তিলগ্নে।

তিনি বলেন, ব্যাংক বীমা, শিল্প কলকারখানা, কৃষি বিপ্লব অর্থাৎ কর্মপন্থা নিয়ে ১৯ দফার ভিত্তিতে তিনি তার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। বাংলাদেশে প্রথম তিনিই একমাত্র সরসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি।

ঢাকা জেলা, নারায়নগঞ্জ জেলা ও নারায়নগঞ্জ মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এই সভা হয়। তবে এই সভার বিষয়ে নারায়নগঞ্জ জেলা বিএনপির শীর্ষ দুই নেতার বিরুদ্ধে গ্রুপিংয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

যে কারনে তারা সভার বিষয়ে জেলার আহ্বায়ক কমিটির কয়েকজন সদস্যকে জানাননি। জানতে চাইলে জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহমুদুর রহমান সুমন বলেন, সভা সম্পর্কে আমাকে জানানো হয়নি। কেন জানানো হয়নি জানি না। অন্য মাধ্যমে সভা হওয়ার কথা জানতে পেরে জেলার আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্ট্রা করেছি, পাইনি। তাদের কাছে জানতে চাইবো, কেন আমাকে বৈঠক সম্পর্কে জানানো হয়নি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, এর আগে জেলার প্রথম ভার্চুয়ালও বৈঠকেও আমাকে শেষ সময়ে জানানো হয়েছিল। তখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম, যোগ দিতে পারিনি। আজকের ভার্চুয়াল সভা সঞ্চালনা করে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, নারায়নগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক প্রমুখ।