জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধী উপনেতা জি এম কাদের বলেছেন, ‘গণপরিবহন আর পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত না হলে আনন্দের ঈদ জাতির জন্য ভয়াবহ দুঃসংবাদ ডেকে আনবে। তাই স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আরও কঠোর হতে হবে।’

রোববার এক বিবৃতিতে জাপা চেয়ারম্যান আরও বলেন, করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ আর ক্রমবর্ধমান মৃত্যু হারের মধ্যেই সারা দেশে কোরবানির জন্য পশুর হাট জমে উঠেছে। পছন্দের পশু কিনতে প্রতিটি হাটেই প্রতিদিন ভিড় করছেন হাজারো মানুষ। কিন্তু, গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, পশুর হাটে উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি। অধিকাংশ ক্রেতা ও বিক্রেতার মুখে মাস্ক নেই। হ্যান্ড স্যানিটাইজার এর ব্যবহার নেই বললেই চলে। আবার প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে অনেকেই ছুটছেন বাড়ির পথে। সেখানেও উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি। লঞ্চ, বাস ও অন্যান্য যানবাহনে গাদাগাদি করে ছুটছেন মানুষ। শারীরিক দূরত্ব বা করোনা সচেতনতার অভাবে কোথাও স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। 

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ঈদের পর দুই দিনে আবারও কর্মস্থলে ফিরবেন সবাই। সাত দিন ধরে যারা বাড়ি গেছেন, তারা দুই দিনে কর্মস্থলে ফিরতে গেলেই সৃষ্টি হবে মারাত্মক জটলা। তাই, করোনা সংক্রমণ রোধ করতে পশুর হাট ও গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।