বকেয়া পাওনার দাবিতে নগরীর খালিশপুর জুট মিলের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শ্রমিকরা। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত শ্রমিকরা এই কর্মসূচি পালন করেন। এতে খালিশপুর ও দৌলতপুর জুট মিলের শতাধিক শ্রমিক অংশ নেন।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, খালিশপুর, দৌলতপুর জুট মিলসহ সারাদেশের পাঁচটি জুট মিলের ১২ হাজার শ্রমিক এখনও তাদের বকেয়া পাওনা বুঝে পাননি। বকেয়া টাকা না পেয়ে শ্রমিক পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছে। বার বার ধরনা দিয়েও তারা টাকা পাচ্ছেন না।

বক্তারা আরও বলেন, সারাদেশের অন্যান্য জুট মিলের শ্রমিকদের যখন পাওনা পরিশোধ করা হচ্ছে, তখন খালিশপুর, দৌলতপুর জুট মিলসহ পাঁচটি জুট মিলের ১২ হাজারের বেশি অস্থায়ী ও দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিক রাস্তায় আন্দোলন করছেন। 

ঈদ সামনে রেখে বকেয়া টাকা না পেয়ে শ্রমিকরা রাজপথে বসে আছেন, অথচ একই মিলের কর্মকর্তারা ঈদ বোনাসসহ বেতন-ভাতার সব সুবিধা ভোগ করছেন। অবস্থান ধর্মঘট থেকে ঈদের আগেই শ্রমিকদের টাকা পরিশোধের জোর দাবি জানানো হয়।

অবস্থান কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন খালিশপুর জুট মিলের কারখানা কমিটির আহ্বায়ক আবু বক্কর। বক্তব্য দেন সদস্য সচিব আলমগীর কবির, শ্রমিক-কৃষক-ছাত্র-জনতা ঐক্যের সমন্বয়ক রুহুল আমিন, খালিশপুর জুট মিলের সিবিএ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনির, নারী শ্রমিক নাসিমা, নুর ইসলাম, দৌলতপুর জুট মিলের শ্রমিক নেতা চান মিয়া, ক্রিসেন্ট জুট মিলের শ্রমিক নেতা মোশাররফ হোসেন, স্টার জুট মিলের শ্রমিক নেতা আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন খুলনা জেলার আহ্বায়ক শেখ আলামিন প্রমুখ।