ময়মনসিংহ নগরীতে এডিস মশার বিস্তার রোধ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সিটি করপোরেশনের ৩৩ টি ওয়ার্ডে সোমবার থেকে থেকে ১২ দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সিটিকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে এ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যে ডেঙ্গু নতুন শঙ্কা তৈরি করেছে। ডেঙ্গু থেকে নগর বাসীকে রক্ষায় ১৪০ টি হটস্পটকে প্রাধান্য দিয়ে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত লার্ভিসাইড এবং উড়ন্ত ও পরিনত মশা ধ্বংসে বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এডাল্টিসাইড প্রয়োগ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কোন প্রতিষ্ঠানে, নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে তা ভ্রাম্যমান আদালতের আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। টায়ার, পরিত্যাক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবন বা এসির নিচে জমা পানিতে যেন এডিস মশার বংশবৃদ্ধি না ঘটতে পারে সে বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে। তিনি দিনে একদিন মনে করে জমা পানি ফেলে দিতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

সোমবার সকালে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহমেদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়। নগরীর কাঁচিঝুলি মোড় এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হওয়া এডিস মশা রোধে কর্মসূচি পরিদর্শন করেন সিটি করপোরেশনের সচিব রাজীব কুমার সরকার, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এইচকে দেবনাথ, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আসীম সাহা, খাদ্য ও স্যানিটেশন কর্মকর্তা দীপক মজুমদার প্রমুখ।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু বলেন, করোনার সাথে ডেঙ্গু যুক্ত হলে তা আরো বিপদজনক হবে। এডিস মশার বিস্তার রোধে নানাবিধ কার্যকর পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে একাধিক ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালিত হয়েছে। নতুন শুরু হওয়া কর্মসূচি প্রতিটি ওয়ার্ডকে গুরুত্ব দিয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনামাফিক পরিচালিত হবে। আশা করা হচ্ছে গত বছর গুলোর মতই মশক নিধন কার্যক্রমে ময়মনসিংহ এবারও থাকবে ডেঙ্গুমুক্ত।