সিলেট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান (৮১) আর নেই। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে নগরীর বেসরকারি একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ... রাজিউন)। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান হাসপাতালের চিকিৎসকের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে সিলেট আওয়ামী লীগসহ প্রগতিশীল রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমেছে। 

দুইদিন আগে ডায়ারিয়ায় ও বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ায় অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমানকে আখালিয়া এলাকার ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় বুধবার রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে আওয়ামী লীগের নেতারা হাসপাতালে ছুটে যান।

বুধবার রাতে লুৎফুর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতির খবর শুনে তাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, কেন্দ্রীয় সদস্য আজিজুস সামাদ ডনসহ সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। 

সাবেক গণপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান গত ১৫ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এরপর করোনামুক্ত হয়ে তিনি নগরীর বড়বাজারের বাসায়ও ফিরে যান।