যশোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী নূরুল আমিন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। রোববার দুপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ন কবীরের কাছে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী। এর আগে যাচাই-বাছাইয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহমান কাকন মৃধার মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে, দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও দলটির জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক নূরুল আমিনকে বহিস্কার করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব-২ খন্দকার দেলোয়ার জালালী এ তথ্য জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে জালালী জানান, জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১ (১)ক ধারা মোতাবেক দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে কার্যকর হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ন কবীর বলেন, চলতি বছরের ৩ জুন যশোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূরজাহান ইসলাম নীরার মৃত্যু হলে পদটি শূন্য হয়। আগামী ৭ অক্টোবর যশোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। নির্বাচনে অংশ নিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী নূরুল আমিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহমান কাকন মৃধা মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। বাকি দুই প্রার্থীর মধ্যে একজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। ফলে এই নির্বাচনে একমাত্র বৈধ প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী। আজ নির্বাচন কমিশন গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করবে।