বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনও যদি ব্যর্থ ও তামাশাপূর্ণ হয়, তাহলে দেশ ও দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গভীর বিপর্যয়ে নিপতিত হবে। আরেকটি নির্বাচনী তামাশা এ দেশের মানুষ নিতে পারবে না।

শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় স্বাধীনতা হলে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির দিনব্যাপী কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলনের উদ্বোধন অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাইফুল হক আরও বলেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নিয়মতান্ত্রিক পথে সরকার পরিবর্তনের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হলে সেটা দেশকে অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবে। অন্যদিকে দেশে জঙ্গিবাদী মতাদর্শ ও রাজনীতির উত্থানের রাস্তা আরও প্রশস্ত করবে।

তিনি বলেন, নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সরকার পরিকল্পিতভাবে রাজনীতিতে হিংসা-বিদ্বেষ ও ঘৃণা বাড়িয়ে দিয়ে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। বিরোধী দল ও বিরোধী মতকে দমন করে কেবল রাষ্ট্রশক্তির জোরে ক্ষমতায় টিকে থাকার নীতি-কৌশল সরকার ও সরকারি দলের জন্যও আখেরে বিপর্যয় ডেকে আনবে।

সাইফুল হক বলেন, গণআন্দোলন-গণসংগ্রামের পথে রাজপথে সরকারকে পিছু হটাতে না পারলে ভোট ও গণতান্ত্রিক অধিকার, মেরুদণ্ডসম্পন্ন নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তদারকি সরকারসহ কিছুই অর্জন করা যাবে না। সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা ছাড়া আইন করে নির্বাচন কমিশন গ্রহণযোগ্য হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আকবর খানের পরিচালনায় সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আবু হাসান টিপু, আনছার আলী দুলাল, সজীব সরকার রতন, নির্মল বড়ুয়া মিলন, সিকদার হারুন মাহমুদ, এ্যাপোলো জামালী, ফিরোজ আহমেদ, শহীদুল আলম নান্নু, সাইফুল ইসলাম, জুঁই চাকমা ও অরবিন্দু বেপারী বিন্দু।