বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়মিত স্বাস্থ্য চেকআপের অংশ হিসেবে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ৫মিনিটে তিনি হাসপাতালে পৌঁছান। এর আগে ৩টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালের উদ্দেশে গুলশানের বাসভবন ত্যাগ করেন। তার সঙ্গে ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, ডাক্তার আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং ব্যক্তিগত সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস রয়েছেন। দলটির মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৭ এপ্রিল এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। এর ছয়দিন পরে ৩ মে তিনি শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরে অবস্থার উন্নতি হলে এক মাস পর গত ৩ জুন চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে কেবিন ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর গত ১৯ জুন তাকে বাসায় নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা।

খালেদা জিয়া পুরনো রোগ আর্থারাইটিস, ডায়াবেটিকের পাশাপাশি হৃদযন্ত্র ও কিডনি জটিলতায় ভুগছেন। এরমধ্যে গত ১০ এপ্রিল গুলশানের বাসা ফিরোজায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন তিনি। আর করোনামুক্ত হন গত ৯ মে।

তখন চিকিৎসকরা জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক যে অবস্থা, তাতে তাকে হাসপাতালে না রেখে বাসায় রেখেও চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। তার হার্ট, কিডনি ও লিভারের অবস্থা ভালো নয়। এর জন্য তাকে এখন শুধু ওষুধের ওপর নির্ভরশীল হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। একমাত্র বিদেশে নিলে এর ভালো চিকিৎসা সম্ভব। দেশে যে ব্যবস্থা রয়েছে, তাতে তাকে হাসপাতালে না রাখলেও চলবে। এ অবস্থায় তার জন্য হাসপাতাল ও বাসা একই। বরং বাসার নিজস্ব পরিবেশে তিনি মানসিকভাবে আরেকটু ভালো থাকবেন।