সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বিএনপি নেতারা। বৃহস্পতিবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা মণ্ডপ পরিদর্শনে যান।

বিকেলে ঢাকার কেরানীগঞ্জে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের মির্জাপুরের বাড়ির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন মির্জা ফখরুল। এ সময় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, জহিরউদ্দিন স্বপন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, শামা ওবায়েদ, আজিজুল বারী হেলাল, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক, আব্দুস সালাম আজাদ, আমিরুল ইসলাম খান আলীম, অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী, আকরামুল হাসান, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক, মহানগর নেতা এবিএম মোয়াজ্জেম হোসেন, ইকবাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যায় ঢাকেশ্বরীসহ তিনটি পূজামণ্ডপে গিয়ে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল। এ সময়ে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আমরা হাজার বছর ধরে মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানসহ সকল ধর্মাবলম্বী একত্রে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে বাস করছি। আমরা এদেশে কখনও সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দেইনি।

পূজামণ্ডপে হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, এসব যারা ঘটিয়েছে তারা চায় এদেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে। আমরা সবসময় আপনাদের সঙ্গে আছি এবং থাকব। এ সময় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবদুস সালাম, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের গৌতম চক্রবর্তী, গণফোরাম নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরীসহ দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। রাতে বিএনপি মহাসচিব বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

দেশের অন্যত্রও বিএনপি নেতারা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। টাঙ্গাইলে বড় কালীবাড়ি ও ছোট কালীবাড়িসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে আর্থিক সহায়তা দেন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু। এ সময় স্থানীয় নেতারা তার সঙ্গে ছিলেন।