বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও অবিলম্বে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে চলমান আন্দোলনকে আরও বেগবান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। সোমবার রাতে দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ভার্চুয়াল বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

বৈঠকে খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা স্থায়ী কমিটির নেতাদের অবহিত করেন তারেক রহমান। খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস অবস্থার ক্রমাবনতিতে বিশেষ করে রক্তক্ষরণজনিত পরিস্থিতি উল্লেখ করে চিকিৎসকদের বক্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেন নেতারা।

এ সময় সভা থেকে অবিলম্বে উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়। স্থায়ী কমিটির নেতারা জানান, প্রচলিত আইনের আওতায় বিএনপি চেয়ারপারসনকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার কোনো বাধা নেই। এ ধরনের নজির বাংলাদেশে আছে। সভায় খালেদা জিয়ার শর্তহীন মুক্তি ও রোগমুক্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়।

সভায় সাম্প্রতিক সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর কারণে বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানানো হয়। বাস ভাড়ায় হাফ পাস চালুর জন্য শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক বলে মত দেন নেতারা।