শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ( শাবিপ্রবি) বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় অংশ নেন।

শনিবার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

সভা শেষে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ভার্চুয়াল সভায় শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রআন্দোলনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ ও হতাশা ব্যক্ত করা হয়েছে। প্রাণহানীর সংশয়ে পড়া বিপন্ন নাজুক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতারা।

ভার্চুয়াল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের ছাত্র ও শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের (১৯৯১-১৯৯৩) প্রথম সভাপতি মো. ফরিদ আলম। 

সভা পরিচালনা করেন চতুর্থ ব্যাচের ছাত্র ও শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের মকদ্দুস-স্বাধীন কমিটির (১৯৯৫-৯৭) সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন আহমেদ। 

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচ থেকে শুরু করে ছাত্রলীগের সর্বশেষ ব্যাচের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। দীর্ঘ চার ঘণ্টার এ সভায় ক্যাম্পাস পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে সবাই আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। 

বৈঠকে শাবিপ্রবির বৃহৎ স্বার্থে সর্বসম্মতিক্রমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তিন দফা দাবি উত্থাপিত হয়েছে। দাবিগুলো হলো— এক. অবিলম্বে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের অনশন ভাঙানো প্রয়োজন। এ জন্য তাদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

দুই. যে বিশেষ মহল আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের ওপর পুলিশি আক্রমণ পরিচালনার পরিবেশ তৈরি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ। তিন. ছাত্রছাত্রীদের ওপর কথিত যে পুলিশ এসল্ট মামলা করা হয়েছে, তা দ্রুত প্রত্যাহার।

সভায় অংশ নেওয়া ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের মধ্যে ছিলেন— মো. ফরিদ আলম, মো. হুমায়ুন কবির, মো. মকদ্দুস আলী, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, বিলাদুর রহমান কাশেম, লিটন চন্দ্র দে, জসিম উদ্দিন আহমেদ, দেবজিৎ কুমার বনিক, মো. সাদিকুর রহমান নোমান, মোহাম্মদ আবেদুজ্জামান, অভিজিৎ কুমার বনিক প্রমুখ।