আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলীয় সব পদ থেকে নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কারের জন্য দলীয় হাইকমান্ডে সুপারিশ করা হয়েছে। শনিবার বিকালে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরি কমিটির সভায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে এ সুপারিশের প্রস্তাব গৃহীত হয়। 

নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় সভায় উপস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের ৮০ শতাংশ সদস্যের সম্মতিক্রমে এই সুপারিশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রোববার এ সংক্রান্ত চিঠি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর পাঠানো হবে।

নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে কার্যকরি কমিটির সভা 

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম এ আহ্বায়ক আরও বলেন, একরামুল করিম চৌধুরী আমাদের দলের মনোনয়নে নৌকা প্রতীকে এমপি নির্বাচিত হয়েও সদ্য সমাপ্ত পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী এবং দলীয় প্রতীক নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্তিকর অবস্থায় ফেলেছেন। তাই আজকের সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্যদের দাবির প্রেক্ষিতে তাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পদ-পদবী থেকে অব্যহতি এবং চূড়ান্তভাবে বহিষ্কারের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরি কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম। অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র সহিদ উল্যাহ খান সোহেল, নোয়াখালী ৩ আসনের সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরন, নোয়াখালী ৬ আসনের সংসদ সদস্য বেগম আয়েশা ফেরদৌস, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা খানম সাকি ও মোহাম্মদ আলীসহ জেলা আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী সদস্য।