আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেছেন, ‘খুনি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশে রক্তপাতের রাজনীতি শুরু হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে যেমন জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন, ঠিক তেমনি ২১ আগস্টে হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছেলে তারেক রহমান ও ওই সময়ের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা জড়িত ছিলেন। এই জিয়াউর রহমানের পরিবারকে বাংলাদেশের মানুষ একটি খুনি পরিবার হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। এরা একটা খুনি পরিবার।’

শনিবার রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ১ নম্বর ওয়ার্ডের অধীনের ইউনিট সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মির্জা আজম বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও থেমে নেই। খুনি জিয়া পবিবার এখনও চক্রান্ত করে যাচ্ছে। এদের ব্যাপারে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। আর যেন খুনিরা ক্ষমতায় আসতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

দুঃসময়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিতদের দলের পদ দেওয়া হবে জানিয়ে ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, ‘দলের দুঃসময়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিতদের স্থান দিতে হবে। বসন্তের কোকিলদের দিয়ে কমিটি করা যাবে না। কারণ বসন্তের কোকিলরা সুসময়ে আসে। আবার চলেও যায়। আর ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীরা সব সময় থাকে।’

তিনি বলেন, ‘কমিটিতে কোনো চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীর স্থান হবে না।’

সম্মেলন উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির। এতে বক্তা ছিলেন সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি। বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শহীদ সেরনিয়াবাত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মহি, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাপ আশরাফ তালুকদার, আক্তার হোসেন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আনিস আহম্মেদ, কাউন্সিলর মামুনুর রশিদ শুভ্র, সদস্য এবং কাউন্সিলর আনিসুর রহমান, থানা শাখার সভাপতি শরীফ আলী খান, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম, আওয়ামী লীগ নেতা এম কামাল সেরনিয়াবাত শান্ত প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সভাপতি আব্দুস সালাম।