মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে বিএনপি তাদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমানকে ‘ইতিহাসের নায়ক’ বানানোর ব্যর্থ চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন,‘এদেশের ইতিহাস বিকৃতির জনক হচ্ছে বিএনপি, তারাই ইতিহাসের ফুটনোট জিয়াউর রহমানকে ইতিহাসের নায়ক বানানোর ব্যর্থ চেষ্টা করেছে।’

সোমবার সকালে নিজ বাসভবনে ব্রিফিংয়ে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাধীনতার ৫০ বছরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যখন এসেছ তখন ইতিহাস বিকৃতি করেছে- বিএনপি মহাসচিবের এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তার এ অভিযোগ চরম অসত্য, ভিত্তিহীন এবং পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছু নয়। আওয়ামী লীগ কখনো ইতিহাস বিকৃতি করে না বরং প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরে বলেই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ হয় ‘ 

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যার নেতৃত্বে বাঙালি জাতির হাজার বছরের আরাধ্য যে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা আসে সেই বঙ্গবন্ধু বিএনপির শাসনামলে হয়ে যায় এক নিষিদ্ধ নাম। মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনি জয় বাংলা স্লোগানকে বিএনপি নিষিদ্ধ করে দেয়, বন্ধ করে দেয় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রচার। গণমাধ্যম থেকে পাঠ্যপুস্তক পর্যন্ত সব জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার অপপ্রয়াস চালানো হয়। ইতিহাস বিকৃতির ঘৃণ্য চর্চা বিএনপি আবারও শুরু করেছে।’ 

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা তাদের চেয়ারপারসন বেগম জিয়াকে দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং দণ্ডপ্রাপ্ত, পলাতক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা বানানোর মতো ঘৃণ্য অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।’ 

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রজন্ম প্রকৃত ইতিহাস আজ জানতে পারছে, যারা ইতিহাসের পায়ে শিকল পরিয়েছিলো আজ তাদের স্বরুপ উন্মোচিত হচ্ছে। তাই তো বিএনপি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, শুরু করেছে পুরনো খেলা; চর্চা করছে অগণতান্ত্রিক পথ।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘পরাধীনতার শৃঙ্খল মুক্তির অর্ধশতক পর যারা বলেন স্বাধীনতার ৫০ বছরে কি পেলাম, প্রকৃতপক্ষে তারাই স্বাধীনতাকে হৃদয়ে ধারণ করেনা,চেতনায় ধারণ করে না, সে প্রশ্নই এখন চলে আসে। আসলে এটাই প্রতীয়মান হয় তারা এদেশের মানুষের কল্যাণে কিছুই করেনি, তাই তারা দেশের কোনো ভালো অর্জন দেখতে পায় না ‘