ভোজ্য তেল, চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য প্রত্যাহার, দ্রব্যমূল্য এবং জনগণের দুর্ভোগ নিয়ে তামাশা বন্ধ, সিন্ডিকেট ও মজুতদারদের শাস্তি এবং খাদ্য পণ্যের রেশন ব্যবস্থা চালুর দাবিতে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এবং জেলায় জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাসদ সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দলের সম্পাদক নিখিল দাস, জুলফিকার আলী, ডা. মনিষা চক্রবর্ত্তী, ঢাকা নগর কমিটির সদস্য আহসান হাবিব বুলবুল।

সমাবেশে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ভোজ্য তেলের দাম এক লাফে লিটার প্রতি ৩৮ টাকা বাড়িয়ে সরকার প্রমাণ করেছে এই সরকার মজুতদার ও বাজার সিন্ডিকেটের সহযোগী ও রক্ষক। ক্ষমতায় যেতে জনগণের ভোট প্রয়োজন হয়নি বলে সরকারের জনগণের প্রতি প্রতি কোন দায়বদ্ধতা নেই।

তিনি বলেন, ঈদের আগেই ইঙ্গিত দেয় যে, ঈদের পরে তেলের দাম বাড়ানো হবে। সরকারের এই ইঙ্গিত ব্যবসায়ী মজুতদারদের তেল মজুত করে বাজারে সংকট তৈরি করতে উৎসাহীত করেছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের কাছে হিসাব আছে দেশে তেলে চাহিদা কত এবং কত টন আমদানি হয়েছে। তাহলে বাজারে তেলের সংকট হলো কীভাবে? আর ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসেই তেলে দাম এক লাফে লিটার প্রতি ৩৮ থেকে ৪৪ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে রাতারাতি তেল ব্যবসায়ীদের পকেটে কয়েক শত কোটি টাকা ঢুকানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছে।

ফিরোজ ভোজ্য তেলের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার এবং খাদ্য পণ্যের রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়ে বলেন, সরকার জনগণকে ভয় পায় বলে ইভিএমের নামে ডিজিটাল ভোট জালিয়াতির উদ্যোগ নিচ্ছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি