চট্টগ্রামে ঘুষের ২০ হাজার টাকাসহ বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) দুই কর্মচারীকে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। 

দণ্ডিতরা হলেন- বিটিসিএল নন্দনকানন কার্যালয়ের প্রধান সহকারি মো. গিয়াস উদ্দিন ও টেলিফোন অপারেটর মো. হুমায়ুন কবির। 

সোমবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ মুনসী আবদুল মজিদ এর আদালত এ রায় দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. মুছা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, দুদক আইনের ৫ (২) ধারায় গিয়াস উদ্দিনের দুই বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় দুই বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

অন্য আসামি হুমায়ুন কবিরকে উভয় ধারায় এক বছর করে দুই বছর কারাদণ্ড দেয় আদালত। গিয়াসকে কারাগারে পাঠানো হয়। হুমায়ুনকে উচ্চ আদালতে আপিল করার শর্তে জামিন দেয় আদালত।

২০১৬ সালের ১৭ আগস্ট সাবেক সহকর্মীর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় ফাঁদ পেতে বিটিসিএল নন্দনকানন কার্যালয়ের প্রধান সহকারি মো. গিয়াস উদ্দিন, টেলিফোন অপারেটর মো. হুমায়ুন কবিরকে আটক করা হয়। 

পরে কার্যালয়ের প্রধান সহকারী ও বিভাগীয় প্রকৌশলীর (অভ্যন্তরীণ) কক্ষের আলমারি ও রেজিস্ট্রার বই তল্লাশি করে ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ও ৮৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় বিভাগীয় প্রকৌশলীকেও আটক করা হয়। এ ঘটনায় চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা দায়ের করে দুদক। 

দুদক চট্টগ্রামের উপসহকারি পরিচালক মানিক লাল দাশ বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন। এর মধ্যে ঘুষ গ্রহণের সময় হাতেনাতে ধরা পড়ায় বিটিসিএল নন্দনকানন কার্যালয়ের প্রধান সহকারী মো. গিয়াস উদ্দিন ও টেলিফোন অপারেটর মো. হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়। 

এ মামলার তদন্ত শেষে ২০১৮ সালে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য নিয়ে আদালত দুই আসামিকে কারাদণ্ড দেন।