আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছেন, গত ৪৭ বছরে বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষ প্রশাসক, সফল কূটনীতিক ও সৎ এবং জনপ্রিয় নেতার নাম শেখ হাসিনা। সামনের দিনগুলোতে সব প্রতিবন্ধকতা পেছনে ফেলে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যেতে হবে। দেশের মানুষ তাঁর সঙ্গে আছে, থাকবে।

আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় নেতারা এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সূচনা বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা দেশে এসেছেন বলেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও বঙ্গবন্ধু হত্যার পাপমোচন সম্ভব হয়েছে। দেশে অসাধ্য সাধন করেছেন তিনি। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের তারিখ শেখ হাসিনা নির্ধারণ করবেন জানিয়ে জনগণকে অধৈর্য না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীসহ তাঁর পরিবারের সব সদস্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হয়েছে। সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পদ্মা সেতু আজ দৃশ্যমান। আজ সারাদেশের সর্বস্তরের মানুষ চায়, এই সেতুর নামকরণ শেখ হাসিনার নামে করা হোক। পদ্মা সেতুর নামকরণ শেখ হাসিনার নামে না হলে তাঁকেই অসম্মান করা হবে।

সভাপতির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেন, যত দিন শেখ হাসিনার হাতে দেশ থাকবে, পথ হারাবে না বাংলাদেশ।

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, যারা বলে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হবে, তারা পাকিস্তানে যাক। বাংলাদেশ কখনও শ্রীলঙ্কা হবে না।

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশে আগামীতে সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা আবারও প্রধানমন্ত্রী হবেন।

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গত ১৩ বছরে দেশের অভূতপূর্ব উন্নতি সহ্য হচ্ছে না বিধায় আবারও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। গর্তের ভেতর থেকে বিএনপি-জামায়াত উঁকি দিচ্ছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আওয়ামী লীগ এখনও মাঠে নামে নাই, প্রয়োজনে নামবে।

সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, আবদুর রহমান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল-আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।