আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন আর ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নেই। হেনরী কিসিঞ্জারকে পদ্মা সেতু দেখানো গেলে তিনিও বুঝতেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির জন্য কী করেছেন। কিসিঞ্জারের 'তলাবিহীন ঝুড়ি' আখ্যায়িত বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।

শনিবার সকাল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয় মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে মতিয়া চৌধুরী এসব কথা বলেন।

মতিয়া বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এদেশে এসেছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা হত্যা এবং একাত্তরের ঘাতক রাজাকারদের বিচার হয়েছে। শেখ হাসিনা এদেশে এসেছিলেন বলেই আজ মানুষের অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা ও বাসস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে।

সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশের রাজনীতিতে যে নেতৃত্বের শূন্যতা তৈরি হয়, ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে সেই শূন্যতা খানিকটা হলেও পূরণ হয়েছে। এদেশের মানুষ বিশ্বাস করে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের আগে বাংলাদেশ অবশ্যই উন্নত দেশে পরিণত হবে। যতদিন শেখ হাসিনা আছেন, ততদিন বাংলার আকাশে আর দুর্যোগের ঘনঘটা আসবে না।

কৃষক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শরীফ আশরাফ আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতির সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা, কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুব উল আলম শান্তি, শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, হোসনে আরা, বিশ্বনাথ সরকার বিটু, শামীমা আক্তার খানম, গাজী জসীম উদ্দিন, আসাদুজ্জামান বিপ্লব, রেজাউল করিম রেজা, মহানগর নেতা আব্দুস সালাম বাবু, আবু জাফর জাকিউদ্দিন আহমেদ রিন্টু, আব্দুর রব খান, হালিম খান, আমজাদ হোসেন প্রমুখ।