কাসুন রাজিথা এবং অসিথা ফার্নান্দোর পেস আক্রমণে বাংলাদেশ তখন দিশেহারা। ঢাকা টেস্টে ২৪ রানে হারিয়েছে ৫ উইকেট। ওই জায়গা থেকে লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম সেঞ্চুরি করেছেন। দু’জন অবিচ্ছিন্ন ২৫৩ রানের জুটি গড়েছেন। 

দুর্দান্ত ফর্মে থাকা লিটন খেলেছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ১৩৫ রানের ইনিংস। তার সঙ্গী মুশফিকের ব্যাট থেকে এসেছে ১১৫ রান। এর আগে চট্টগ্রাম টেস্টে রান পেয়েছেন লিটন। পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে রান পেয়েছেন। 

লিটনের এই ফর্মে ফেরার পেছনে তার টেকনিকে কিছু পরিবর্তন, দেড় বছর ধরে রুটিন ধরে কাজ করাকে গুরুত্ব দিয়েছেন টাইগার হেড কোচ ডমিঙ্গো, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টেকনিক গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয়, লিটন তার গেমটা ধরতে পেরেছে। টেকনিক দারুণ উন্নতি এনেছে। টেস্টে গত দেড় বছর প্রস্তুত হওয়ার পন্থা খুঁজে পেয়েছে সে। কখন পরিশ্রম করতে হবে, কখন করা যাবে না বুঝতে শিখেছি। ভালো একটা রুটিন প্রস্তুত করেছে।’ 

লোয়ার অর্ডারে ব্যাট করে লিটন টেস্টে তাকে চিনতে শিখেছে বলেও উল্লেখ করেন ডমিঙ্গো। মাত্র তিনটি সেঞ্চুরি পেয়েছেন তিনি। এখনও তার অনেক পথ যাওয়ার। ভবিষ্যতে লিটন দলের নাম্বার ফোর বা ফাইভ হবেন বলেও উল্লেখ করেন ডমিঙ্গো, ‘গত ১৮ মাসে অনেক কাজ করেছে লিটন। এখনও অনেক কাজ বাকি। খেলাটাকে পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বাকি।’ 

কোচ হিসেবে লিটন-মুশির জুটিটাকে টেস্টে তার দেখা সেরা বলেও উল্লেখ করেন প্রোটিয়া এই কোচ। দ্বিতীয় দিন সকালে ভালো ব্যাটিং করতে হবে সেই কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘টেস্টে কোচ হিসেবে আমার দেখা সেরা জুটি। অনেক চাপে ছিল দল। দুই ব্যাটার অসাধারণ জুটি দিয়েছে। সকালে ভালো খেলতে পারিনি আমরা। কয়েকটা ভুল শট খেলেছি। ওরাও ভালো ডেলিভারি দিয়েছে। এখন সব ফোকাস কালকের প্রথম সেশনে।’