গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, হঠাৎ করে ভারত থেকে আসা পানিতে সুনামগঞ্জ ও সিলেট ডুবে গেছে। বাংলাদেশকে না জানিয়ে গজলডোবা বাঁধ খুলে দিয়ে ভারত আন্তর্জাতিক অপরাধ করেছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

বুধবার ধানমন্ডি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এবি পার্টির উদ্যোগে বন্যা ও জলাবদ্ধতার দায় সরকারের- মানবিক সংকট মোকাবিলায় সর্বোচ্চ অর্থ ও খাদ্য বরাদ্দের দাবিতে নাগরিক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় এবি পার্টির আহ্বায়ক এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী উপকূল এলাকায় মানসম্পন্ন বাঁধ নির্মাণসহ বন্যা ব্যবস্থাপনায় ১৪ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ভারতের আয়ের চতুর্থ উৎস হলো বাংলাদেশ। ভারতকে রক্ষা করেছি আমরা। তা না হলে আজ ভারতে নকশালবাদী সরকার থাকত। তাই যতদিন তিস্তা চুক্তি না হবে, ততদিন প্রতিটি বাঁধের তথ্য বাংলাদেশকে দিতে হবে। অন্যথায় তাদের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

এবি পার্টির উদ্দেশে তিনি বলেন, জামায়াতকে অনুরোধ করেন জনসাধারণের সামনে আবারও ক্ষমা চাইতে। মানবাধিকার অপরাধ তারা তো আর করেননি। পিতৃপুরুষরা করেছেন। জামায়াত ক্ষমা চাইলে তাদের শক্তি আরও বৃদ্ধি হবে। সামনে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সব দলকেই শরিক হতে হবে। এতে আন্দোলনের শক্তি বাড়বে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, পদ্মার পাড়ে ১০ লাখ লোক জমায়েত করে অর্থ অপচয় না করে সিলেট অঞ্চলের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে হবে। এতে ওই অঞ্চলে মানবিক বিপর্যয় রোধ করা যাবে।

অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, ২০১৪ সাল থেকে যে সরকার আমাদের ঘাড়ে চেপে বসেছে, তাকে কিছুতে ঘাড় থেকে নামাতে পারছি না। এ জাতীয় সরকারকে সরাতে হলে, জিওপলিটিপের দিকে নজর দিতে হবে এবং দেশে গণবিস্ম্ফোরণ ঘটাতে হবে।

এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মনজুর পরিচালনায় আরও বক্তব্য দেন নদী বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ইনামুল হক এবং গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ।