গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, বাজেট নিয়ে সরকার সবাইকে বোকা বানাচ্ছে। বাজেটে একটি কথাও নেই কীভাবে দেশে গণতন্ত্র আসবে, কীভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আসলে তারা ক্ষমতা দখল করে থাকতে চায়।

বৃহস্পতিবার বন্যা, খরা ও পরিবেশ বিপর্যয় রোধে সরকারের ব্যর্থতা ও উদাসীনতার প্রতিবাদে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেছেন।

বাজেট প্রসঙ্গে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভুল হলো বাজেটে ক্ষুদ্র খামারি ও শ্রমিকদের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখেননি। বাংলাদেশে আসা ১২-১৩ লাখ রোহিঙ্গা বেড়ে ২৫ লাখ হয়েছে, আগামী ১০ বছরে আরও বাড়বে, তাদের জন্যও কোনো বরাদ্দ নেই। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও বরাদ্দ কমেছে। প্রধানমন্ত্রী ভালো কাজ করেছেন পরিসংখ্যান বিভাগের বাজেট ৮০ ভাগ কেটে দিয়ে। তিনি আরও বলেন, আইন বিভাগে আইন নাই। আলেমদের জামিন হয় না। আইন বিভাগে বাজেট কেটে দেওয়া হয়েছে, কারণ যে বিচারপতিদের কোমরে জোর নেই, মেরুদণ্ড সোজা না তাঁদের পয়সা দিয়ে লালন-পালন করে লাভ কী।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে না জানিয়ে গজলডোবার সব গেট খুলে দিয়ে ভারত রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক অপরাধ করেছে। মানুষ বন্যার কারণে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। তাঁদের জন্য কিছু ব্যবস্থা না করে প্রধানমন্ত্রী সেপ্টেম্বরে ভারত যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর এজেন্ডায় একবারও দেখা যায়নি তিস্তা নিয়ে আলোচনার বিষয়।

গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর বলেন, এই সরকারকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে। দুই মাস ধরে টাকা খরচ করে প্রস্তুতি নিয়ে, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি অফিসকে নির্দেশনা দিয়ে তারা ১০ লাখ মানুষ নিয়ে মহোৎসব করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেখানে ১ লাখ লোকও যায়নি। বিক্ষোভ সমাবেশে এছাড়া বক্তব্য দেন গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, তারেক রহমান, আমিন আফসারী প্রমুখ।