আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতাসহ তার পরিবারের হত্যাকারীদের বিচার হলেও হত্যার নেপথ্যের কুশীলবদের মুখোশ এখনও উন্মোচন হয়নি। দেশের ঐক্য রক্ষায় পঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমানসহ সেই কুশীলবদের মুখোশ উন্মোচন করা জরুরি। তদন্ত কমিশন গঠন করে এদের মুখোশ উন্মোচন করা হোক।

সোমবার সকালে জাতীয় জাদুঘরের বঙ্গমাতা ফজিলাতুননেছা মুজিব মিলনায়তনে 'বাঙালির গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মুক্তি সংগ্রামের নেপথ্যের সংগঠক বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব' শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান।

আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক উপকমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্বে করেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দকার বজলুর রহমান। বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও লেখক সুভাষ সিংহ রায়, দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার এডিটর ইনচার্জ মাসুদা ভাট্টি প্রমুখ।

বঙ্গমাতার স্মৃতিচারণ করে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, টুঙ্গিপাড়ার সেই নিভৃত পল্লীতে জন্মগ্রহণকারী শেখ মুজিবুর রহমানের জাতির পিতা হয়ে ওঠার পেছনে যে মহিয়সী নারীর ভূমিকা ছিলো, তিনি হলেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব। বাবা মারা যাওয়ার পর বাল্যকালে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বিবাহের পর থেকে বঙ্গমাতা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর শক্তি ও অনুপ্রেরণার উৎস। তিনি নেপথ্যে থেকে বাংলাদেশ জাতির স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করে গেছেন। সরাসরি রাজনীতিতে ছিলেন না; তবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে তার যে দূরদর্শিতা ছিলো, সেটি অবিস্মরণীয়।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি, বন ও পরিবেশবিষয়ক উপকিমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান রুবেল, জ্যোতিকা জ্যোতি, বাবু উৎপল সাহা ও আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।