জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে রাজপথে মোকাবিলায় যুবদলই যথেষ্ট। সারাদেশে যুবদল, ছাত্রদলসহ বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর যে অত্যাচার-নির্যাতন, গুম-খুন করা হয়েছে, তার হিসেব নেওয়ার সময় হয়েছে। কড়ায়-গণ্ডায় হিসেব আদায় করা হবে। পালানোর পথও খুজে পাবে না এই জুলুমবাজ আওয়ামী লীগ।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আয়োজনে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থানা যুবদলের এক কর্মীসভায় তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই দেশের গণতন্ত্রকে বিকিয়ে দিয়েছে। স্বাধীনতার পর তারা বাকশাল গঠন করেছে, এবার ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র তৈরি করছে। দেশের গণতন্ত্রকে হরণ করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি, লুটপাট করে দেশের অর্থনীতিকেও দেউলিয়া করেছে। তারা সন্ত্রাস করে, মামলা-হামলা দিয়ে বিরোধী রাজনীতিকে নির্বাসনে পাঠানোর চেষ্টা করছে। ইতিহাস বলে একদিন তারাই নির্বাসিত হবে। জনগণের ক্ষমতার কাছে তারা টিকতে পারবে না। পালিয়ে যেতে হবে। রক্ষা তাদের হবে না।

টুকু বলেন, এই লালবাগ-কামরাঙ্গীরচর এলাকায় বিএনপির জনপ্রিয় নেতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টুকে অন্যায়ভাবে কারাগারে প্রেরণ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। একদিন এর জবাব ও বিচার এই মাটিতেই হবে। সেদিন আর বেশি দূর নয়।

যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোনায়েম মুন্না বলেন, অবৈধ সরকারের মসনদ কাপতে শুরু করেছে। তাদের পায়ের তলায় মাটি সরছে। এবার আমাদের একটু ধাক্কা দিতে হবে। এজন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। বিএনপির নেতাকর্মীরাই যথেষ্ট এই সরকারকে হটানোর জন্য।

তিনি বলেন, এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশ থাকবে না, দেশের স্বাধীনতা থাকবে না, গণতন্ত্র ফিরবে না, আমাদের মা ও মাটির নেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলবে না, তারেক রহমান দেশে আসতে পারবে না। আমাদের প্রত্যেকের নামে যে মামলার পাহাড় জমেছে তা থেকেও মুক্তি মিলবে না। তাই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায়, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে ও শফিকুল আলম নাদিমের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক গোলাম মাওলা শাহীন, সদস্য সচিব খন্দকার এনামুল হক, সদস্য কামাল হোসেন, খন্দকার রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।