বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ কয়েক হাজার নব্য কোটিপতির সরকার। দেশের নতুন ৪ কোটি দরিদ্র মানুষের সরকার তারা নয়। গরিবরা অধিকার নিয়ে আন্দোলন করলে গুলি করে হত্যা করছে।’

শুক্রবার মোহাম্মদপুরের বছিলায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। জ্বালানি তেল, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও হত্যার প্রতিবাদে এই সমাবেশে মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে অসংখ্য নেতাকর্মী অংশ নেন। এখানেও নেতাকর্মীরা লাঠির মাথায় পতাকা লাগিয়ে আসেন।

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার খাবার দিতে পারবে না, চাকরি দিতে পারবে না। কিন্তু জনগণ ন্যায্য দাবির আন্দোলন করলে গুলি করে মারছে। জিনিসপত্রের দাম এতই বেড়েছে, দেশে যাঁরা হালাল উপার্জন করেন, তাঁদের চলার অবস্থা নেই। সন্তানদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাতের ভোটের সরকারের এই ব্যর্থতার প্রতিবাদে আন্দোলন-সংগ্রামে মানুষ রাস্তায় নামছে। গুলি করেও বিএনপির জনসভায় লোক কমছে না, এটাই আন্দোলনের ইতিহাস। জোর-জবরদস্তি করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না। এই সরকারও পারবে না।’

সমাবেশে তাবিথ আউয়াল বলেন, হামলা করে হাড় ভাঙতে পারেন, রক্ত ঝরাতে পারেন কিন্তু মনোবল ভাঙতে পারবেন না। আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। গণতন্ত্র মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবির খোকন, বিলকিস জাহান শিরিন, নাজিম উদ্দিন আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।