শীত-কুয়াশা উপেক্ষা করে নেতাকর্মীদের নিয়ে সমাবেশের খোলা মাঠে অবস্থান নিয়েছেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুসহ অন্যান্য নেতারা। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোনায়েম মুন্না, সিনিয়র সহ সভাপতি মামুন হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদসহ অন্যান্য নেতারা।

কেন্দ্রীয় এসব নেতারা বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে রাতযাপন করার সিদ্ধান্ত নেন।

মামু হাসান এই বিভাগের গণসমাবেশের যুবদলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হওয়ায় অনেক আগে থেকেই তিনি সিলেটে অবস্থান করছেন। 

সমাবেশের জন্য মঞ্চের সামনেই তাবু খাটিয়ে খাওয়া-দাওয়াসহ সবার খোঁজ-খবর রাখছেন। সমাবেশের মাঠে আগত নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে বক্তব্য ও মিছিলে অংশ নিচ্ছেন তারা।

এসময়ে টুকু বলেন, চট্টগ্রাম, খুলনা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, ফরিদপুর, সিলেট নয়; পুরো বাংলাদেশটাই সমাবেশের মাঠে পরিণত হয়েছে। বিএনপি যেখানেই কর্মসূচি ঘোষণা করছে সেখানেই মানুষের ঢল নামছে। শত বাঁধা দিয়েও জনস্রোত ঠেকাতে পারেনি এই অবৈধ সরকার। পূণ্যভূমি সিলেটেও পারবে না।

মোনায়েম মুন্না বলেন, দানবীয় এই সরকারকে হটাতে সারাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এখন তাদেরকে ধাক্কা দিতে দরকার শুধু একটা স্ফূলিঙ্গ। জনবিস্ফোরণেই এই সরকারের পতন ঘটবে। সেটা আর বেশিদূর নয়।

মামুন হাসান বলেন, দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে সবাইকে জীবন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাঠে নামতে হবে। এই ফ্যাসিস্ট সরকার হটাতে আন্দোলনের বিকল্প নাই।