ডিসেম্বরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ডিসেম্বরে নির্বাচন সামনে রেখেই প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে সংঘাত নয়, প্রতিযোগিতা করতে চাই।

শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে দলের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথ সভায় এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ঘরে গণতন্ত্রকে জিম্মি করে রাখা বিএনপি কীভাবে এটি রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা করবে? গণতন্ত্রে নির্বাচন ছাড়া কোনোভাবেই সরকার পরিবর্তনের সুযোগ নেই। আমরা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনের দিকে অভিযাত্রা শুরু করেছি। আগামী নির্বাচনে সরকার শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা বিএনপির আগুন-সন্ত্রাসের আশঙ্কায় শান্তি সমাবেশ করছি এবং আগামী নির্বাচন পর্যন্ত মাঠে থাকব। দলটি নয়াপল্টনে কর্মসূচি দিলে আমরা উত্তরায় করি। ১০ ডিসেম্বর তারা রাজধানীতে; আমরা সমাবেশ করেছি সাভারে। কিন্তু কিছু সংবাদমাধ্যম বিএনপির কথার প্রতিধ্বনি করে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি বলছে। এটি আমাদের বিব্রত করছে।

তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা সুখকর নয়। নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে হারানো সম্ভব নয় বলেই বিএনপি ষড়যন্ত্র নামের চোরাগলিতে হাঁটছে।

এ সময় ১১ মার্চ ময়মনসিংহে এবং ১৮ মার্চ বরিশালে বিভাগীয় মহাসমাবেশের ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। দুটি সমাবেশেই প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যৌথ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিম লীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, কেন্দ্রীয় কার্যনিবাহী সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ।