চট্টগ্রামে পাহাড় থেকে বাসিন্দাদের সরাতে মাইকিং

প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২০   

চট্টগ্রাম ব্যুরো

ছবি দেখে মনে হচ্ছে কোনো আবাসিক এলাকা। বাস্তবে এটি চট্টগ্রাম নগরীর মতিঝর্ণা পাহাড়। সেখানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গড়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য কাঁচা-পাকা বসতঘর। পাহাড় হারিয়ে গেছে ঘরবাড়ির আড়ালে - সমকাল

ছবি দেখে মনে হচ্ছে কোনো আবাসিক এলাকা। বাস্তবে এটি চট্টগ্রাম নগরীর মতিঝর্ণা পাহাড়। সেখানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গড়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য কাঁচা-পাকা বসতঘর। পাহাড় হারিয়ে গেছে ঘরবাড়ির আড়ালে - সমকাল

ভারী বর্ষণে ১৭টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের সরে যেতে মাইকিং করছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দিনভর জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন সার্কেলের সহকারী কমিশনাররা (ভূমি) স্থানীয় কাউন্সিলর ও পুলিশের সহায়তায় লোকদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, নগরের মতিঝর্ণা, বাটালি হিল, একে খান পাহাড়, টাংকির পাহাড়, আমিন জুট মিলস এলাকা, রউফাবাদ, খুলশী, পাহাড়তলি, ফয়েসলেক, আকবর শাহ এলাকার ঝিল-১, ২, ৩ নম্বর এলাকা, জিয়ানগর, মধ্যমনগর, মুজিব নগর, শান্তিনগর এলাকা, কৈবল্যধাম বিশ্বকলোনী এলাকা, ফিরোজ শাহ এলাকা, ফরেস্ট রিসার্চ ইন্সটিটিউট এলাকা, বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সিডিএ লিংক রোড এলাকার পাহাড়গুলোতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হচ্ছে। এছাড়া চান্দগাঁও, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ এবং কাট্টলী সার্কেলের অধীনে ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সহকারী কমিশনাররা তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের কর্মচারী ও কাউন্সিলরদের নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে ১৭টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় থেকে লোকজনকে অপসারণ করা হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় মসজিদগুলো থেকেও মাইকিংয়ের মাধ্যমে লোকজনকে নিরাপদ অবস্থানে আশ্রয় নিতে আহ্বান জানানো হচ্ছে। প্রতি ওয়াক্ত নামাজের আগে-পরে মসজিদের মুয়াজ্জিনরা ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা থেকে লোকজনকে সরে যেতে আহ্বান করছেন।