সব সময় নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করেছি: বিদায়ী চসিক মেয়র

প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২০   

চট্টগ্রাম ব্যুরো

আ জ ম নাছির উদ্দীন         -ফাইল ছবি

আ জ ম নাছির উদ্দীন -ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) বিদায়ী মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, ‘নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে গত পাঁচ বছর কাজ করেছি। সবার যে ভালোবাসা পেয়েছি তাতে মনেকরি আমি সফল। শতভাগ আত্মতৃপ্তি নিয়ে শেষ কর্ম দিবস অতিবাহিত করেছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আমি কাজ করি। আমার দুয়ার সবার জন্য খোলা। আমৃত্যু মানুষের পাশে থাকবো।’ 

বুধবার নগরের থিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম (টিআইসি) মিলনায়তনে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়োজনে প্রীতি সম্মিলনে তিনি এসব কথা বলেন। 

করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী মো. সামশুদ্দোহার সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কাউন্সিলর সালেহ আহমদ চৌধুরী, ইসমাইল বালী, মোহাম্মদ আজম, আনজুমান আরা, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সাইফুদ্দিন আহমেদ, সারওয়ার হোসেন খান প্রমুখ। বুধবারই ছিল মেয়র হিসেবে তার শেষ কর্মদিবস।

বিদায়ী মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘চসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৩১ বছরের সমস্যার সমাধান করে দিয়েছি। সাড়ে ৩ বছর চেষ্টা করে প্রবিধানমালা অনুমোদন করিয়েছি। চসিকের জন্য আরেকটা নতুন অর্গানোগ্রাম প্রক্রিয়াধীন আছে। যখন দায়িত্ব নিয়েছিলাম চসিকের কর্মীদের বেতন আসতো মাসে ৯ কোটি টাকা, এখন তা ১৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এরপরও নিয়মিত বেতনভাতা দিতে সমর্থ হয়েছি।’ 

তিনি বলেন, ‘নগরবাসীর প্রত্যাশা ও চসিকের দায়িত্ব পালনের জন্য ঐক্য দরকার। কয়েকজন কাউন্সিলর ভিন্ন দলের হলেও আমি চিন্তা করেছি উনারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত। তাই সবাইকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করাকে আমি দায়িত্ব হিসেবে দেখেছি। নির্বাচিত হওয়ার পর সবাইকে চসিকের অর্পিত দায়িত্ব সততা, আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করতে বার্তা দিয়েছিলাম। সেই মোতাবেক সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করেছেন। করপোরেশনের সফলতা আমার একার পক্ষে সম্ভব নয়, এটি একটি টিম ওয়ার্ক। আন্তরিক সহযোগিতার কারণে আমি সবার কাছ থেকে সফলতা অর্জন করতে পেরেছি। সবাইকে নিয়ে একটি পরিবার হিসেবে কাজ করতে পেরেছি। এটি অনেক বড় সফলতা।’ চসিকের দেনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগের মেয়রের আমলের ৩০০ কোটি দেনার মধ্যে ২৫০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছি। এখানে আমরা কিছু হাইড করছি না। অথচ কিছু মিডিয়ায় চসিকের দেনাকে হাইলাইট করা হচ্ছে বেশি।’ 

এসময় মেয়র চসিকের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয় এমন সংবাদ পরিবেশনের আগে যাচাই করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।