চট্টগ্রামে বাগদাদ গ্রুপের চেয়ারম্যান কারাবন্দি ফেরদৌস খান আলমগীরের বিরুদ্ধে ১৫ মাসের আটকাদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালতের বিচারক মো. মুজাহিদুর রহমানের আদালত থেকে এ আদেশ প্রচারিত হয়। 

সিটি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংকসহ তিনটি ব্যাংকের আবেদনের উপর শুনানি শেষে আদালতে এ আদেশ দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন আদালতের সেরেস্তাদার মোহাম্মদ মুক্তাদির মাওলা।

সিটি ব্যাংকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. নাঈম ভুইয়া বলেন, ‘সিটি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক ও ইবিএল ব্যাংকের পক্ষ থেকে পাঁচ মাস করে ১৫ মাস বাগদাদ গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দেওয়ানি আটকাদেশ চেয়ে আবেদন করি। অর্থঋণ আদালত শুনানি শেষে তিন ব্যাংকের আবেদন মঞ্জুর করে আসামির ১৫ মাস আটকাদেশ দেন। তিনি এখন কারাগারে বন্দি রয়েছেন।’

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী ফেরদৌস খান কারাগারে যাওয়ার পর ব্যাংক এশিয়া, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকও তাদের দায়ের করা মামলায় তাকে শ্যোন এরেস্ট দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করেছেন।

গত ৩ নভেম্বর বাগদাদ গ্রুপের চেয়ারম্যান ফেরদৌস খান আলমগীরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সিটি ব্যাংক লিমিটেডের করা ঋণ খেলাপির মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। 

এর আগে ২০১৯ সালের ১৯ আগস্ট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিেেগ্রশন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বাগদাদ গ্রুপের কর্ণধার ফেরদৌস খান আলমগীরের স্ত্রী মেহেরুন নেছাকে। পরে তাকে চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মেহেরুন নেছার বিরুদ্ধে একাধিক চেক প্রতারণা ও খেলাপি ঋণের মামলা রয়েছে।

বিষয় : বাগদাদ গ্রুপ ফেরদৌস খান আলমগীর ট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালত

মন্তব্য করুন