গ্রিসে পোশাক পণ্য রপ্তানির আড়ালে আট লাখ ১৭ হাজার ৫২৭ টাকা পাচারের অপচেষ্টা করেছে ঢাকার এইচ এম ফ্যাশনওয়্যার নামের একটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। তবে টাকা পাচারের এই চেষ্টা চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা ধরে ফেলেন। রোববার চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার আহসান উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আহসান উল্লাহ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পণ্যের চালানটি আটক করে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় ২২ হাজার ৯৫৩ পিস টি-শার্ট, পোলো শার্ট, ট্যাঙ্ক টপ, শর্ট প্যান্ট, জিন্স প্যান্ট ও লেডিস টাইটস ঘোষণার বিপরীতে ৪১ হাজার ১৬৮ পিস পাওয়া যায়। অর্থাৎ বাড়তি পাওয়া গেছে ১৮ হাজার ২১৫ পিস। যার মূল্য প্রায় আট লাখ ১৭ হাজার ৪২৬ টাকা। প্রতি পিসের ঘোষিত মূল্য দশমিক ৫৩ ডলার। প্রতিষ্ঠানটি পণ্য রপ্তানির আড়ালে এই টাকা পাচারের চেষ্টা করে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন-১৯৬৯ এবং প্রচলিত অন্যান্য আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, ঢাকার রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এইচ এম ফ্যাশনওয়্যার ২২ হাজার ৯৫৩ পিস পণ্যের বিপরীতে অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি করে। প্রতিষ্ঠানটির মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হিসেবে কাজ করে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ এলাকার মিম ইন্টারন্যাশনাল। গ্রিসে পণ্য চালানটি রপ্তানির জন্য এছাক ব্রাদার্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডিপোতে কনটেইনারে পণ্য লোড করা হয়।