'ইউটিউব এখন শক্তিশালী মাধ্যম'

০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

আফজাল হোসেন। তিনি একাধারে অভিনেতা, লেখক, চিত্রকর, কবি ও চিত্রশিল্পী। বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাতা হিসেবেও তিনি প্রসিদ্ধ। অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশ হচ্ছে তার লেখা কাব্যগ্রন্থ '১৯ নং কবিতা মোকাম'। পাশাপাশি ব্যস্ত বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রের কাজ নিয়ে। কথা হলো তার সঙ্গে-

শুনলাম কলকাতা গিয়েছিলেন...

ঠিকই শুনেছেন। আমার মামার বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বশিরহাটে। সেখানে আমার শৈশবের অনেকটা সময় কেটেছে। সম্প্রতি স্ত্রী মনাকে [তাজিন হালিম] নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলাম মামার বাড়ি। যেহেতু কলকাতা দিয়েই আমাদের যাতায়াত করতে হয়, সে কারণে কলকাতায়ও দু'দিন ছিলাম। পশ্চিমবঙ্গের এই শহরটিতে থাকা মানে একটু অবসর কাটানো, সিনেমা দেখা, ঘোরাফেরা করা।

এবার আপনার নতুন কাব্যগ্রন্থ '১৯ নং কবিতা মোকাম' নিয়ে জানতে চাই। বইটি কবে থেকে পাওয়া যাবে?

এই কাব্যগ্রন্থটি আলাদা রকমের। এই বইয়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো প্রতিটি কবিতার সঙ্গে থাকছে লেখাচিত্র। ফলে পাঠকরা বিভিন্ন ইলাস্ট্রেশনের দেখা পাবেন বইতে। ৫০টির অধিক কবিতা নিয়ে সাজানো এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করছে অনন্যা প্রকাশনী। এই সপ্তাহ থেকেই পাওয়া যাবে। এ ছাড়া একই প্রকাশনী থেকে আসছে আমার বিভিন্ন সময়ের লেখা নিয়ে একটি বই।

আপনি তো বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। একাধারে অভিনয় করেন, ছবি আঁকেন, কবিতা লেখেন, বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ করেন। এসব কিছুর মধ্যে কোন জায়গাটায় আপনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?

আসলে আমি সব কাজই সমানভাবে ভালোবাসি। আর এ কারণেই ভিন্ন ভিন্ন কাজ করা সত্ত্বেও আমি এখনও সব কাজ ভালোভাবে করতে পারছি। আমি ভাগ্যবান যে, আমার প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে সময় ও মনোযোগ দুটোই দিতে পারি। আমি কখনোই বলি না এই কাজগুলো ভালো বা খারাপ করি; কিন্তু আমি যা-ই করি না কেন, তা খুব উপভোগ করি। সুতরাং প্রশ্নের উত্তরে আমি এটা বলতে পারব না যে, আমার কাজের একটি বিশেষ দিককে বেশি ভালোবাসি। আমি বিখ্যাত লেখক বা বিখ্যাত কবি হওয়ার জন্য লিখি না, বরং নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে ও নিজের সন্তুষ্টির জন্যই লিখি।

এখন আমাদের দেশে ওয়েব সিরিজের জোয়ার চলছে। বিষয়টি নিয়ে আপনি কী মনে করেন?

আমাদের দেশের মিডিয়ায় মানুষের প্রকাশের একটা মাধ্যম বেড়েছে। এখন মানুষ এটাকে কী করে ব্যবহার করবে সেটাই হলো মূল বিষয়। ইউটিউব এখন সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম বলে মনে হয় আমার। আমরা নিজেদের বিবেক, জ্ঞান, বুদ্ধি আর বিবেচনা দিয়ে এই মাধ্যমগুলো কীভাবে ব্যবহার করছি সেটা দেখার বিষয়। একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিস্কার হবে- ইউটিউবে যা ইচ্ছা তাই কাণ্ডকারখানা যেমন আছে, ঠিক তেমনি এমন তথ্যনির্ভরও কিছু আছে, যা আমাদের সচরাচর দেখা হয় না। ফলে এটা কিন্তু শক্তিশালী একটা মাধ্যম। এখন এটা নির্ভর করে কোন মানুষ কীভাবে তা ব্যবহার করছেন। ফলে যারা এসব মাধ্যম ব্যবহার করছেন তাদের সচেতন হতে হবে। ব্যবহারকারী যদি সচেতন না হন তাহলে বিষয়টি ক্ষতিকর।

আপনার এই সময়ের ব্যস্ততা...

এখন নিয়মিত লেখালেখি করছি। সকালে কোনো কারণে সম্ভব না হলে রাতে লিখি। কোনোদিন ছবি আঁকি। আমার কাছে ছুটে চলা জীবনই উপভোগের।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২০

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ (প্রিন্ট), +৮৮০১৮১৫৫৫২৯৯৭ (অনলাইন) | ইমেইল: samakalad@gmail.com (প্রিন্ট), ad.samakalonline@outlook.com (অনলাইন)