ফারমার্স ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ

চিশতীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

২৯ এপ্রিল ২০১৯

সমকাল প্রতিবেদক

ফারমার্স ব্যাংকের ৬৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতীসহ সাতজনকে আসামি করে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার রাজধানীর গুলশান থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, গ্রাহকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও জামানত যাচাই না করে ব্যাংকের তৎকালীন এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান চিশতী প্রভাব খাটিয়ে মেসার্স রোজবার্গ অটো রাইস মিলসকে ৫৮ কোটি টাকার ঋণ মঞ্জুরের ব্যবস্থা করেছিলেন। ২০১৪ সালের ২৬ জুন থেকে গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে ওই পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করা হয়, যা বর্তমানে সুদ-আসলে ৬৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা হয়েছে। এই টাকা ব্যাংকের পাওনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যার পুরোটাই আত্মসাতের শামিল।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যে ১৫৩ শতাংশ জমির ওপর রোজবার্গ স্থাপন করা হয়েছে; ওই জমি ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে দেখানো হয়। একই জমি কৃষি ব্যাংকের রাজধানীর কারওয়ান বাজার শাখায় হযরত আলীর ঋণের বিপরীতেও জামানত দেওয়া হয়েছে। ওই জমি ব্যাংকের অনুকূলে জামানত ও অপরিবর্তনীয় আমমোক্তারনামা সম্পন্ন ফারমার্স ব্যাংকের শেরপুর জেলা শাখা কর্তৃক কৃষি ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখার অনুকূলে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ০০৫২১৫৪ নং পে-অর্ডারের মাধ্যমে ৩৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকার দায় পরিশোধ করেন। এ ছাড়া কৃষি ব্যাংকের ওই শাখা থেকে কোনো এনওসি নেওয়া হয়নি।

দুদকের দায়ের করা মামলার অন্য আসামিরা হলেন- রোজবার্গ রাইস মিলসের এমডি হযরত আলী, পরিচালক দেলোয়ার হোসেন, ব্যাংকের শেরপুর জেলা শাখার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম বড়ূয়া, সাবেক ডিএমডি এ কে এম এম শামীম, সাবেক সিনিয়র এপিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ফয়সাল আহসান চৌধুরী ও সিটি সার্ভে লিমিটেডের এমডি খায়রুল আলম।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬/৪০৯/১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪ ধারায় মামলা করা হয়।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২০

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ (প্রিন্ট), +৮৮০১৮১৫৫৫২৯৯৭ (অনলাইন) | ইমেইল: [email protected] (প্রিন্ট), [email protected]m (অনলাইন)