মাকে নিয়ে বিখ্যাতদের যত উক্তি

১২ মে ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক

আজ বিশ্ব মা দিবস। সন্তানের জন্য মায়ের ভালোবাসা কিংবা মমতার কোনো তুলনাই হয় না। মায়ের প্রতি ভালোবাসা জানানোর আজ এক বিশেষ দিন হলেও প্রতিটা দিনই মাকে ভালোবাসার। এই পৃথিবীর প্রতিটি সন্তানেরই যার যার মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত কারণ মা ছাড়া কারও পক্ষেই পৃথিবীর আলো দেখা সম্ভব ছিল না। 

আজকাল নিজেকে নিয়েই সবাই ব্যস্ত থাকেন। সেই ব্যস্ততার মাঝে মায়ের সঙ্গে যদি দিনের কিছুটা সময়ও কাটানো যায় নিঃসন্দেহে মায়ের মন আনন্দে ভরে উঠবে। 

নিজের হাতের তৈরি বিশেষ কার্ড উপহার, মাকে নিয়ে ঘোরাঘুরি, কেনাকাটা কিংবা বাইরে খাওয়াদাওয়া করলে মায়ের জন্য দিনটি নিঃসন্দেহে অন্যরকম হয়ে উঠবে। যদিও ৩৬৫ দিনও মাকে ভালোবাসা জানানোর জন্য পর্যাপ্ত নয়। মা যেমন সন্তানকে পরম মমতায় আগলে রাখেন সারাজীবন,তেমনি সন্তানের কাছেও মায়ের গুরুত্ব সীমাহীন। জীবনে মায়ের অবদান বোঝাতে বিখ্যাত ব্যক্তিরা তাই বিভিন্ন সময় নানা ধরনের উক্তি দিয়েছেন।  

আমেরিকান লেখক মিচ আলবোম বলেছেন, ‘মায়ের চোখে তাকালেই পৃথিবীর সবচেয়ে নিষ্পাপ আর নিখাদ ভালোবাসা খুঁজে পাওয়া যায়’।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাম লিঙ্কন বলেছেন, ‘ মা আমার কাছে দেবদূত। আমি যা হয়েছি কিংবা যা হতে চাই সব কিছুর জন্যই আমার মায়ের কাছে কৃতজ্ঞ।’

ইংরেজ কবি রবার্ট ব্রাউনিংয়ের ভাষায়, ‘সব ভালোবাসার শুরু এবং শেষ হয় মার্তৃত্বে’।

আমেরিকান ধর্ম প্রচারক এডউইন চ্যাপিন বলেছেন, ‘ পৃথিবীর কোনও শক্তি, সৌন্দর্য কিংবা বীরত্ব মায়ের ভালোবাসা প্রকাশ করার জন্য যথেষ্ট নয়’।

জার্মান-আমেরিকান সমাজ মনোবিজ্ঞানী এরিচ ফ্রম বলেছেন, ‘ মায়ের ভালোবাসাতেই শান্তি। এটা অর্জন করতে হয় না। এটার জন্য যোগ্যও হতে হয় না’।

খ্রিস্টীয় প্রবাদে আছে, 'ঈশ্বর সব জায়গায় থাকতে পারে না, এ কারণে তিনি মাকে পাঠিয়েছেন।'

আরেকটি প্রবাদে আছে, 'মা তার সন্তানদের হাত হয়তো কিছু সময়ের জন্য ধরে থাকেন কিন্তু তাদের হৃদয়ে থাকেন সারাজীবন।'

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখক লুসিয়া মে অরকটের ভাষায়, 'মা সব কিছু ক্ষমা করে দেন। পৃথিবীর সবাই ছেড়ে গেলেও মা কখনো সন্তানকে ছেড়ে যান না'। 

 

© সমকাল ২০০৫ - ২০২০

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ (প্রিন্ট), +৮৮০১৮১৫৫৫২৯৯৭ (অনলাইন) | ইমেইল: [email protected] (প্রিন্ট), [email protected] (অনলাইন)