প্রথম বিদেশ সফরে মালদ্বীপে মোদি

০৯ জুন ২০১৯

সমকাল ডেস্ক

টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবারের মতো দু'দিনের বিদেশ সফরে গেলেন নরেন্দ্র মোদি। গতকাল শনিবার তিনি যান প্রতিবেশী দেশ মালদ্বীপ। সেখান থেকে তার শ্রীলংকা যাওয়ার কথা রয়েছে। মালদ্বীপ সরকার মোদিকে সম্মানজনক 'অর্ডার অব নিশান আইজুদ্দিন' পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। খবর এনডিটিভি ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

মোদির মালদ্বীপ সফরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলছেন বিশ্নেষকরা। কারণ মোদি তার প্রথম মেয়াদে প্রতিবেশী সব দেশ সফর করলেও মালদ্বীপ যাননি। অর্থাৎ, এই প্রথমবারের মতো দ্বীপ দেশটিতে সফরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিজয় গোখলে জানান, ২০১১ সালে সর্বশেষ মালদ্বীপ সফর করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। এরপর এই প্রথম দেশটিতে সফরে গেলেন ভারতের কোনো প্রধানমন্ত্রী। সফরে 'প্রতিবেশী প্রথম' এই নীতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করবেন মোদি।

গতকাল বেশ কয়েকটি চুক্তিতে সই করার কথা ভারত এবং মালদ্বীপের। মোদিকে সঙ্গে নিয়ে দুটি প্রকল্প উদ্বোধন করার কথা রয়েছে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম সলিহর। মালদ্বীপের উপকূলে নজরদারি রাডার ব্যবস্থা ও দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য একটি প্রশিক্ষণ ক্যাম্প- এ দুটি প্রকল্পেই অর্থায়ন করেছে ভারত।

মালদ্বীপকে চীন থেকে দূরে রাখার ভারতীয় কৌশল হিসেবে প্রকল্প দুটিকে আখ্যায়িত করেছেন অনেক বিশ্নেষক। সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিনের সময় অনেকটাই চীনের দিকে ঝুঁকে পড়েছিল মালদ্বীপ।

বিজয় গোখলে আরও জানান, মালদ্বীপকে ৮০ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। এরই মধ্যে দেশটিতে বাস্তবায়ন যোগ্য আরও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে। সে বিষয়ে প্রতিবেদনও তৈরি করা হচ্ছে। এ ছাড়া মালদ্বীপের ক্রিকেট উন্নয়নেও বিশেষ ভূমিকা রাখতে চায় ভারত। লাইন অব ক্রেডিট বা ঋণের  টাকা থেকে ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরির বিষয়টিও দু'দেশের আলোচনায় আছে।

মালদ্বীপ সফর শেষে মোদি শ্রীলংকা যাবেন। সেখানে তিনি ভারত, জাপান ও শ্রীলংকার মধ্যে করা কলম্বোর একটি কনটেইনার টার্মিনালের উন্নয়নবিষয়ক সমঝোতা স্মারকের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন।

© সমকাল 2005 - 2019

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭ (প্রিন্ট পত্রিকা), +৮৮০১৮১৫৫৫২৯৯৭ (অনলাইন) । ইমেইল: [email protected]