বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের কি প্রয়োজন আছে?

১৬ জুলাই ২০১৯ | আপডেট: ১৬ জুলাই ২০১৯

রাজীব কামাল শ্রাবণ

রাজীব কামাল শ্রাবণ

বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের কি প্রয়োজন আছে? আমি জানি, শিরোনামটি দেখে
অনেকেই ভুরু কুঁচকে তাকাবেন। বিষয়টি ভুরু কুঁচকে তাকানোর মতোই। কিন্তু
বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল উদ্দেশ্য কি? এবং বর্তমানে এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো
সেই উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে আসলে কি ভূমিকা রাখছে তার পুনর্মূল্যায়ন করা
দরকার। যদি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সঠিক পথে থাকে তবে আমার করা শিরোনামটির দিকে
আবারও ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে আমরা এটিকে বাতিল করে দিব। আর যদি এর উল্টোটা ঘটে
তাহলে কি হওয়া উচিত সেটা নিয়ে আমরা কথা বলব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু বান্ধব ইত্যাদি ধরনের মানুষের
কাছে আমাকে প্রায়ই একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। আর সেটি হচ্ছে, সপ্তাহে
আমাকে কয়টি ক্লাস নিতে হয়? ব্যস্ততার কারণে কোথাও যখন যেতে পারি না, তখন
প্রশ্নের পরিধি আরও বেড়ে যায়। এর সবাই আমার কাজ সংক্রান্ত। মোটেই ভাবার
কারণ নাই যে, এরা বিশ্ববিদ্যালয় কোনদিন চোখে দেখেনি। এদের মধ্যে
বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করা আছে ভূরি ভূরি। অধিকাংশ মানুষের ধারণা,
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে সপ্তাহে আমাকে দুই তিনটা ক্লাস নিতে হয়। আর
বাকি সময় বসে বসে তালপাখার বাতাস খাই। এমনকি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন
শিক্ষার্থী সদ্য বিসিএস কৃষি ক্যাডারের মাধ্যমে কোনও একটি কৃষি প্রশিক্ষণ
ইনস্টিটিউটে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিল, আজ আমাকে অংক,
বিজ্ঞান ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের উপর ৪ টি ক্লাস নিতে হলো। আর আমার
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সপ্তাহে হয়তো নেন ৪ টা ক্লাস! বোঝাই যাচ্ছে,
বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করেও ওই শিক্ষার্থীর কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ
শ্রেণিকক্ষে শিক্ষাদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ঠিক এরকমভাবে, এই দেশের অধিকাংশ
মানুষের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আর স্কুল বা কলেজের শিক্ষকের কাজের
ধরনের পার্থক্য নেই। অধিকাংশ মানুষের ধারণা বিশ্ববিদ্যালয় বলতে কিছু
শিক্ষার্থী থাকবে, সাথে থাকবে কিছু সংখ্যক শিক্ষক এবং শিক্ষা দানের জন্য
কয়েকটি ক্লাসরুম।

দেশের মানুষের মনের এই ধারণা নিশ্চয় এমনি এমনি তৈরি হয়নি। প্রথমত, আমাদের
দেশের পড়াশোনা আদিকাল থেকেই মুখস্থ নির্ভর। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেও অবস্থার
খুব একটা পরিবর্তন হয় না। সেখানে নিজের বুদ্ধি ও স্রজনি শক্তি কাজে লাগানোর
তেমন সুযোগ আমরা রাখতে ব্যর্থ হয়েছি। এর ফলে স্বভাবতই গবেষণার বিষয়টি
এখানে উপেক্ষিত। তাই শিক্ষকরা গবেষণা নির্ভর পাঠদানে অভ্যস্ত নন এবং এর ফলে
শিক্ষার্থীরাও বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করে ফেললেও এর মূল্য কখনো বুঝে উঠতে পারে
না। এই দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ছাড়াই বা ছেলে ভুলানো গবেষণা
দিয়েই মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করা যায়। তাই বিশ্ববিদ্যালয় বলতে অধিকাংশ সময়
শিক্ষার্থীর মনে শ্রেণিকক্ষের চিত্রটাই ভেসে ওঠে। যদিও সবার ক্ষেত্রে
কথাটি প্রযোজ্য নয়।

শিক্ষকরাও গবেষণার প্রতি তেমন একটা আগ্রহী নন। কারণ, একজন ভাল গবেষক
শিক্ষকের চেয়ে, একজন পার্ট টাইম শিক্ষক ও ফুল টাইম রাজনীতিবিদ টাইপের
শিক্ষকের মূল্যায়ন অনেক বেশি। সরকারের উপর মহলের সাথে যে শিক্ষকের সম্পর্ক
যত ভাল, সে তত উচ্চ পদে আসীন হবে। তাই শিক্ষকরাও গবেষণা ভুলে নেটওয়ার্ক
তৈরিতেই বেশি ব্যস্ত থাকেন। সরকারও এ ব্যাপারে বেশ রসিক। যেমন ধরুন,
২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেটে সরকার উচ্চ শিক্ষা খাতের গবেষণায় বরাদ্দ দিয়েছে
৬৪ কোটি টাকা। আর বাংলাদেশ টেলিভিশনের আধুনিকায়নের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে
১৮৬৭ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা! দেশে এখন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৪৫ টি।
অর্থাৎ ৪৫ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার জন্য বরাদ্দ মাত্র ৬৪ কোটি টাকা!
অথচ, বিদেশি একটি ভাল মানের বিশ্ববিদ্যালয়ের শুধুমাত্র একটি বিভাগের
গবেষণার বাজেটও অনেক সময় এর চেয়ে বেশি থাকে। অথচ আমাদের কোন বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্ব র‌্যাংকিং এ স্থান না পেলে মন খারাপ করে বসে থাকি! সুতরাং দেখা
যাচ্ছে, দেশে গবেষণার বিষয়টি সামাজিক, প্রাতিষ্ঠানিক বা রাষ্ট্রীয়ভাবে
মুল্যায়িত হয় না। পাকিস্থানিরা একাত্তরে বুদ্ধিজীবী হত্যা করে আমাদের দুই
ভাবে ক্ষতি করে গেছে। এক, বিশাল এক মেধাশূন্য জাতি তৈরি হচ্ছে আর দুই, কিছু
মানুষকে সেই কৌশল শিখিয়ে গেছে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রমোশন বা অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে গবেষণার
একটি মূল্যায়ন থাকে, সেহেতু তাদের গবেষণা করতে হয়। এছাড়াও থাকে অনেক কাজ।
বাংলাদেশের অনেক শিক্ষক আছেন, যারা বাংলাদেশে বসে খুবই উচু মানের জার্নালে
তাদের গবেষণা পত্র প্রকাশ করে চলেছেন। কিন্তু যেহেতু এই বিষয়টি বড় বড়
ব্রিজ বা ফ্লাইওভারের মতো চর্ম চক্ষে দেখা যায় না, সেহেতু আমাদের বাঙালি
সমাজের কাছে বিষয়টি খুব একটা বোধগম্য হয় না। শিক্ষকদের আরও কি ধরণের কাজ
আছে সেগুলো নিয়ে অন্যদিন আলোচনা করা যাবে।

এখন এটা স্পষ্ট যে বাংলাদেশে জ্ঞান সৃষ্টির দরকার নাই, তাই গবেষণারও কোন
মূল্য নাই। আর গবেষণা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল-কলেজের কোন পার্থক্য নাই।
সুতরাং দেশে বিশ্ববিদ্যালয় থাকা আর না থাকা একই কথা। এবার কর্মক্ষেত্রে
আসুন। যেহেতু গবেষণা নাই, সেহেতু এদেশে নতুন নতুন আইডিয়ার সূচনা হয় না। তাই
এই দেশে উদ্যোক্তা হবার মতো সামাজিক পরিবেশ বা আর্থিক সহায়তা খুব একটা
নাই। তাই শিক্ষার্থীদের প্রধানতম লক্ষ্য থাকে চাকরিজীবী হওয়া। সরকারি চাকরি
হলে এই দেশে প্রভাব খাটানো বা ক্ষমতা দেখানোর একটা সুযোগ থাকে। আর্থিক
নিরাপত্তার বিষয়টিতো আছেই। তাই সবার প্রথম পছন্দ সরকারি চাকুরী অর্থাৎ
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিসিএস বা অন্যান্য। গ্রাজুয়েশন শেষ করে
আমি যখন এমন চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, তখন অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আমার
পড়ার টেবিল সেইসব বই দিয়ে ভরে উঠল, যেগুলো আমি ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি
পর্যন্ত পড়েছি। আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, আমি জীবনের খুব অল্প বয়সেই এসব
পড়ে এসেছি। তখন খুব আফসোস হোত, এসএসসি'র পড়েই যদি আমি বিসিএস পরীক্ষা
দিতাম, তাহলে আমি খুবই ভাল ফল করতাম। কারণ, সে সময় সেই বইগুলো ছিল আমার
নখদর্পণে। হয়তো বিসিএসে পড়ার কলবর একটু বেশি। কিন্তু সেটা কোন সমস্যাই না।
আমি খেয়াল করতাম, আমার বন্ধুরা ক্লাসের মধ্যে লুকিয়ে লুকিয়ে সেই বইগুলোই
গোগ্রসে গিলছে! হলগুলোতে দেখেছি সেকেন্ড ইয়ারের একটি ছেলে তার নিজের
বিষয়ের পড়াশোনা করে শুধু পরিক্ষার আগের রাতে। আর সাড়া মাস পড়ে থাকে ওই
নাইন-টেনের বই নিয়ে।

একবারও কি ভেবে দেখেছেন যে বাংলাদেশের অধিকাংশ নন-টেকনিক্যাল চাকরির জন্য
অনারস- মাস্টার্স পাশের প্রয়োজন আছে কিনা? আমি বলব নাই। যেমন ধরুন, কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা অধিকাংশ শিক্ষার্থী ব্যাংকে, পুলিশ বা অন্য
চাকুরীতে সুনামের সাথে কাজ করছে। মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করে বিসিএসে দিয়ে
পররাষ্ট্র ক্যাডারে জয়েন করছে, পুলিশ হচ্ছে। অর্থাৎ বিশেষায়িত বিষয়ে পাশ
করা খুব একটা জরুরি নয়। যদিও সমাজের জন্য বিষয়টি মোটেও ভাল কিছু নয়। এর
মানে হচ্ছে, এই শিক্ষার্থীরা তাদের স্ব স্ব ক্ষেত্র নিয়ে সন্তুষ্ট নয় এবং
রাষ্ট্রও তাদের সেই সন্তুষ্টি দিতে পারছে না। এর ফলে একজন শিক্ষার্থীকে
কৃষিবিদ, চিকিৎসক বা প্রকৌশলী করে গড়ে তুলতে জনগণের যে এতগুলো টাকা খরচ হল,
তা একদমই জলে গেল। এরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পার করে আবারও সেই
নাইন-টেনের পড়া মুখস্থ করে রাষ্ট্রের বড় বড় পদে বসছে। মাধ্যমিকের এই দুষ্ট
চক্রটি রাখার কি প্রয়োজন? এর চেয়ে সরকারি চাকরিতে আবেদনের যোগ্যতা
ইন্টারমিডিয়েট করে দেওয়া হোক। তাহলে দেশের মানুষের করের টাকা অযথা নষ্ট হবে
না। উপরন্ত সরকার অনেক উৎপাদনশীল যুবক-যুবতী পাবে, যারা তাদের যুবক
সময়টিকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন জনগণের সেবায় নিয়োজিত হতে পারবে। অনার্স -
মাস্টার্স পাশ করে শুধু শুধু জীবনী শক্তি আর সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়।
দেশের সশস্ত্র বাহিনীগুলো কিন্তু ঠিক এই কাজটিই করে আসছে।



সুইডেনেও আমি একই ব্যাপার দেখেছি। আমাদের ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়কে এখানে বলে
জিমনেশিয়াম। অধিকাংশ সুইডিশ এই জিমনেশিয়াম পর্যন্তই পড়ালেখা করে। এর পর
কর্মক্ষেত্রে ঢুকে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে যায় তারাই, যারা ভবিষ্যতে গবেষক,
শিক্ষক বা এনালিস্ট ধরনের পেশাতে যেতে চায়। এইখানে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে
শুনলে তার ব্যাপারে অনেক উচু ধারণা পোষণ করা হয়, এই অর্থে যে
বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা অনেক পরিশ্রমের কাজ। এখানে সবকিছু ফুলটাইম বা
পার্টটাইম ভাবে বিভক্ত। ফুলটাইম পড়াশোনা মানে তাকে ওই বিষয়ে ভাল করতে হলে
দিনে ন্যূনতম ৮ ঘণ্টা সময় দিতে হবে। পরীক্ষার আগের দিন কিছু শিট মুখস্থ করে
গেলাম আর পরীক্ষা শেষে আধা ঘণ্টার মধ্যে সব আবার ভুলে গেলাম টাইপের নয়।
ক্লাশে বসে সাড়া দিন শিক্ষকের কথা শোনা নয়, বরং বিভিন্ন ধরনের সায়েন্টিফিক
জার্নাল থেকে পেপার, রিপোর্ট পড়ে আসাইনমেন্ট, গ্রুপ ওয়ার্কের মাধ্যমে নিজের
মৌলিক রিপোর্ট তৈরি করা ইত্যাদি, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গবেষণা ধর্মী
পড়ালেখার স্বাদ পায় এবং গবেষণায় আগ্রহী হয়ে ওঠে। এসব দেশে এসব কাজের
মূল্যায়ন আছে। কিন্তু বাংলাদেশে যদি কোন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে খুব ভাল
থিসিস লিখেও তবে তার কাজের ক্ষেত্র কোথায়? বিশেষ কি মূল্যায়ন আছে? খুবই
তাজ্জবের ব্যাপার, কোন শিক্ষার্থী যদি বাংলাদেশে মাস্টার্সের পর হার্ভার্ড
থেকেও পিএইচডি করে আসে, কিন্তু তার বয়স ৩০ পেড়িয়ে যায়, তবে সে তার নিজের
বিভাগে প্রভাষক পদেও আবেদন করতে পারবে না!



সুতরাং দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশে প্রতিটি জেলায় জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয়
তৈরির যে ভিশন রয়েছে, তা আদতে অপ্রয়োজনীয়। শুধু সংখ্যাতত্ত্বে বিশ্বাসী
হলেই শিক্ষার মান উন্নয়ন হয় না, যে দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা কত?
বিশ্ববিদ্যালয় কোন দান প্রতিষ্ঠান নয় যে খুললাম আর সার্টিফিকেট বিতরণ করা
শুরু করলাম, আর এর ফলে দেশের মানুষ শিক্ষিত হয়ে গেল, উন্নয়ন হয়ে গেল। আদতে
এই শিক্ষার কোন দাম নাই। তাই আমরা বলতেই পারি, যেহেতু দেশে গবেষণার কোন
মূল্য নেই, সুতরাং এদেশে বিশ্ববিদ্যালয় নামের প্রহসন সৃষ্টিকারী কিছু
প্রতিষ্ঠান তৈরিরও প্রয়োজন নাই।



প্রশ্ন উঠতে পারে, তবে বিশেষ বিষয়ে বিশেষায়িত বা টেকনিক্যাল লোকের যখন
প্রয়োজন হবে তখন আমরা কি করব? এক্ষেত্রেও উত্তর একই। পলিটেকনিক
ইন্সটিটিউটগুলোতো আছেই। একাউন্টিং বা ফাইন্যান্স এর জন্যও আছে বেশ কিছু
প্রফেশনাল প্রতিষ্ঠান। শিক্ষাব্যবস্থায় এমন নীতি গ্রহণ করা হোক, যাতে নবম
শ্রেণীতেই কেউ তাঁর পছন্দের বিষয় নির্ধারণ করতে পারবে। যদিও ভোকেশনাল
শিক্ষা ব্যবস্থায় এটি প্রচলিত রয়েছে। এটিকে শুধু ঢেলে সাজাতে হবে। আর স্ব
স্ব বিভিন্ন বিভাগ তাদের কর্মচারিদের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর মতো তাদের
নিজস্ব ট্রেনিং সেন্টার গড়ে তুলবে। ব্যস হয়ে গেল।

-রাজীব কামাল শ্রাবণ, সহকারী অধ্যাপক, ম্যানেজমেন্ট ও ফাইন্যান্স বিভাগ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা ( উমিও বিশ্ববিদ্যালয়, সুইডেনে উচ্চশিক্ষারত)।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২০

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ (প্রিন্ট), +৮৮০১৮১৫৫৫২৯৯৭ (অনলাইন) | ইমেইল: [email protected] (প্রিন্ট), [email protected] (অনলাইন)