মৌমাছিবান্ধব বাসস্টপ

২৬ জুলাই ২০১৯

সমকাল ডেস্ক

পরিবেশ নিয়ে এখন উদ্বিগ্ন সারাবিশ্ব। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে হুমকির মুখে প্রাকৃতিক পরিবেশ। দিন দিন পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্যকে পরিবেশ দূষণ হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। পরিবর্তিত পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পেরে প্রকৃতি থেকে বিলুপ্ত হচ্ছে অনেক প্রাণি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তাই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে নেদারল্যান্ডস। দেশটির আটরেচট প্রদেশের তিন শতাধিক বাসস্টপে যাত্রীছাউনির ওপর তৈরি করা হয়েছে সবুজ অঞ্চল (গ্রিন হাব)। আর এটা করা হয়েছে মূলত পরাগবাহী মৌমাছির বাস্তুসংস্থানের জন্য। নগর এলাকায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তারা নতুন এ সমাধান বের

করেছে। তারা এটা করেছে বিশ্বের অন্যদের কাছে একটি ইতিবাচক উদাহরণ তৈরি করার জন্য।

আটরেচট নেদারল্যান্ডসের চতুর্থ বৃহত্তম শহর। এ শহরের ৩১৬টি বাসস্টপে যাত্রীছাউনির ওপর সরস সবুজ উদ্ভিদের আচ্ছাদিত ছাদ তৈরি করা হয়েছে। ছাউনির নিচে বসার জন্য সুন্দরভাবে বানানো হয়েছে বাঁশের বেঞ্চ। সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে এলইডি বাতি। সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন ধরনের মৌমাছির জন্য তৈরি এ আশ্রয়স্থল শুধু শহরের জীববৈচিত্র্যের কাজেই আসবে না, সেগুলো বৃষ্টির পানি ধরে রাখবে এবং সঙ্গে সূক্ষ্ণ ধুলোবালিও ধরবে। সবুজের এ ছাদগুলো তৈরি করা হয়েছে হলুদ, গোলাপি ও সাদা রঙের সিডাম উদ্ভিদ দিয়ে, যেগুলো অত্যন্ত শোভাবর্ধক। এগুলোর খুব বেশি পরিচর্যাও করতে হয় না। তবে এগুলো তাদের ফুলের কারণে মৌমাছি ও ভ্রমরকে আকৃষ্ট করবে। আটরেচট জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে যে লড়াই করছে, এই সবুজ বাসস্টপ তারই একটি দৃষ্টান্ত। আটরেচট কর্তৃপক্ষ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ২০২৮ সালের মধ্যে তারা পুরোপুরিভাবে কার্বন নিরপেক্ষ পরিবহন ব্যবস্থা চালু করবে এবং ২০১৯ সালের শেষদিকে ৫৫টি দ্রুতগামী বৈদ্যুতিক বাস নামাবে। আটরেচটের এ সবুজ বাসস্টপের উদ্যোগ এরই মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। সংশ্নিষ্টরা আশা করছেন, ব্যক্তিগতভাবে নাগরিকরাও পরিবেশ রক্ষার্থে এ পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত হবেন। সূত্র : মাই মডার্ন মেট ডটকম।













© সমকাল ২০০৫ - ২০২০

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ (প্রিন্ট), +৮৮০১৮১৫৫৫২৯৯৭ (অনলাইন) | ইমেইল: [email protected] (প্রিন্ট), [email protected] (অনলাইন)