গৈলা: গা ঘেঁষে বসতে ইচ্ছে করে

প্রচ্ছদ

০৬ ডিসেম্বর ২০১৯

আলফ্রেড খোকন

গ্রামে এলে অধিকাংশ সময়ই আমি পুরোনো পথের কাছে ছুটি। পুরনো সম্পর্কের দিকে ঝুঁকি। পুরনো মুখগুলিকে খুঁজি। পুরনো গাছের তলায় (যদি খুঁজে পাই) বসি। শ্যাওলাজমা পুরনো পুকুরঘাটে গোসল করতে যাই। পুরনো কালভার্টের উপর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বিকেলের সূর্যাস্ত দেখি। যদিও পুরোনো হয়ে গেছে এর আবহ। কিন্তু অস্তগামী সূর্য পুরোনো কি-না আমি বলতে পারব না। কবে, কখন থেকে সে সূর্য হয়েছিল- কোন্‌ দিন সে প্রথম অস্ত গিয়েছিল। নাকি সে কখনো অস্ত যায় না। আমরাই তাকে অস্তের দিকে নিয়ে যাই- এসব বিজ্ঞানের বিষয়। আমার অতটা জানা সম্ভবপর হয়নি। তথাপি পুরোনো বিষয়গুলিকে আমার বেশি আন্তরিক লাগে। গা ঘেঁষে বসতে ইচ্ছে করে। পুরোনো পথের রেখা, পথের দু'পাশে ঘাসের ডগায় মগ্ন শিশিরবিন্দু- এসবই আমার আন্তরিক লাগে। 

এই তো সেদিনও শৈশবের বাচ্চা ছেলেটির মতো পা দিয়ে মাড়িয়ে এসেছি ঘাসের ডগায় রাত্রিতে জমে থাকা সকালের শিশির। নাম লিখেছি। ছোটবেলার হেমন্তে ঘাসের ডগায় শিশির মাড়িয়ে, নিজের কিংবা কোনো গোপনের নাম লেখা ছিল আমার একটা অদ্ভুত খেলা। এই যে পুরোনোকে আমার ভালো লাগে, ভেতর থেকে একরকমের তাড়না জন্মে- এর কী নাম দেব? এ এক গোপন প্রণয়। এখানে জন্মেছি। হাঁটতে শিখেছি। দেখতে শিখেছি। পড়তে শিখেছি। স্কুলে গিয়েছি। খেলতে শিখেছি। মানুষে মানুষে পার্থক্য, সম্পর্ক, দূরসম্পর্ক, শত্রুতা, আত্মীয়তা- সবই তো শিখেছি এই গ্রামে। এখানে বৃষ্টিতে ভিজেছি। রৌদ্রে পুড়েছি। ঝড়ে উড়েছি। ভালোবেসেছি। অভিমানে কেঁদেছি। 

বহুদিন পর গৈলা গিয়েছিলাম। বরিশাল জেলার একটি প্রসিদ্ধ গ্রামের নাম- গৈলা। আমার জন্মস্থান, জন্মভূমি। আমার প্রিয় গ্রাম। বিংশ শতকের গোড়ার দিকে গৈলা, মানসী ফুলশ্রী, দক্ষিণ সিহিপাশা, মধ্য সিহিপাশা, উত্তর সিহিপাশা, কালুপাড়া ও মুড়িহার নামীয় সাতটি মৌজা নিয়ে নিয়েই এ গ্রাম (পরে এর মৌজা সংখ্যা বেড়েছে)। গৈলা ও সিহিপাশা মৌজা সম্বন্ধে কিংবদন্তি এই যে, মুসলমান অধিকারকালে এই অঞ্চলে সেনানিবাস ছিল এবং গোলাবারুদ প্রভৃতি অস্ত্রশস্ত্র তৈরি হতো। কালক্রমে গোলা হতে গৈলা ও সিপাহির বাসস্থান হতে সিহিপাশার উদ্ভব হয়েছে। মুসলিম শাসনের যুগে গৈলার মধ্যে একটি পাড়াকে গোলার পাড় বলা হতো। এর পাশেই বড় একটি দীঘি আছে। যদিও চারপাশের চাপে এর বিশালত্ব কমে আসছে। এই দীঘিটির নাম গোলার দীঘি বা আন্ধি। দীঘিটির পূর্ব পাড়ে একদা লৌহ কর্মকারদের বাড়ি ছিল। এই কর্মকারদের দক্ষতার খুব প্রসিদ্ধি ছিল। তারা গাঁদা বন্দুক তৈরি করতে পারত। এভাবে গৈলা নামের উৎপত্তির ধারণা ছাড়াও কেউ কেউ মনে করেন, অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে বা তার পূর্বে সাধারণ নাম হিসেবেই গৈলা নামটি প্রচলিত হয়ে আসছে। উল্লেখ করার বিষয় এই যে, উল্লিখিত মৌজাগুলির মধ্যে গৈলার আয়তন সর্বাপেক্ষা কম, তবু গৈলাকে কেন্দ্র করেই বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে উঠেছে। এখন এর ওয়ার্ড সংখ্যা ৯। (তথ্যসূত্র :গৈলার কথা। প্রকাশক :হিরন্ময় গুপ্ত, পূর্বাচল, ২৪ পরগনা। গৈলা ইউনিয়নের বর্তমান সভাপতি :শফিকুল হোসেন টিটু) 

গৈলার গৌরবের অন্ত নেই- কি শিক্ষায়, শিল্পে, সাহিত্যে, বিপ্লবে কিংবা রাজনীতিতে। ১৯২০ সালে গৈলার সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাচ্য দর্শনে পিএইডি ও ১৯২২ সালে কেম্ব্রিজ থেকে পাশ্চাত্য দর্শনে পিইএচ ডিগ্রি লাভ করেন। কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত ৫ খণ্ডে 'ভারতীয় দর্শনের ইতিহাস' তার বিশেষ উল্লেখযোগ্য কাজ। পাণিনি ব্যাকরণ ও ন্যায়শাস্ত্রে তাঁর পাণ্ডিত্য ছিল সুবিদিত। ড. সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত ও স্ত্রী সুরমা দাশগুপ্ত'র কন্যা বিশিষ্ট লেখক মৈত্রেয়ী দেবীর নাম বাঙালি পাঠকের কে না জানে! তাঁর 'ন হন্যতে' এবং 'মংপুতে রবীন্দ্রনাথ' মির্চা ইলিয়াদ বাঙালি পাঠকের কাছে চিরআদৃত উপন্যাস। 

বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি মণীন্দ্র গুপ্ত গৈলার সন্তান। তৎকালীন প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ফুলশ্রী কবিরাজ বাড়ির কার্ত্তিক চন্দ্র দাশের 'ফুলঝুরি', 'তাই তাই', 'সাত রাজার গল্প' বাংলাদেশের শিশু-কিশোরদেও মাতিয়ে রাখত। শিশুসাহিত্য, ভ্রমণকাহিনি, গল্প, উপন্যাসহ তাঁর রচনার সংখ্যা ৩৫। তিনি সাংবাদিক হিসেবে 'নবশক্তি'তে কাজ করেন। এই গ্রামের সাহিত্য রচয়িতার নামের তালিকা দিলে এই লেখা ভারাক্রান্ত হয়ে পড়বে। কারণ তৎকালে কমপক্ষে ৪ থেকে ৫ জন সাহিত্যিক সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছেন। কেউ কেউ দু'বারও। চারুকলায়ও ছিল গৌরবোজ্জ্বল অতীত। বিশেষ করে ব্যবহারিক শিল্পী বা কর্মাশিয়াল আর্টিস্ট হিসেবে যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছিলেন শুভঙ্কর দাশগুপ্ত। মৃৎশিল্পী জিতেন্দ্রনাথ পুততুন্ড, আলোকচিত্রী মথুর দাসের খ্যাতি ছিল বিশেষ। বর্তমানে এই গ্রামেরই সন্তান দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার বিশিষ্ট সাংবাদিক, 'সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কবি মৃদুল দাশগুপ্ত। 

বৈপ্লবিক ভাবধারার প্রসারে এই গ্রামের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রামে জন্মেছিলেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে হুগলী জেলে নিহত শহীদ তারকেশ্বর সেনগুপ্ত। স্বদেশী আন্দোলন ও বয়কট যুগে 'দরিদ্রবান্ধব সমিতি' ও 'গৈলা ফুলশ্রী যুবক সমিতি' নামে দুটি প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। এগুলোর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক ও বৈপ্লবিক ভাবধারা প্রচার। ৩/৪ বছর পরে সুধীর চন্দ্র সেন ও তারকেশ্বর সেনের নেতৃত্বে 'গৈলা সেবাশ্রম' গড়ে ওঠে। এতে নৈশ বিদ্যালয়, পাঠাগার, ব্যায়ামাগার ও কৃষ্টিমূলক কাজকর্ম পরিচালিত হতো। সেবাশ্রমের অন্তরালে  বিপ্লবী কর্মকাণ্ড পরিচালনাই ছিল মূল লক্ষ্য। এই কর্মকাণ্ডে গ্রামের মুসলমান ও হিন্দু যুবকরাও সম্মিলিতভাবে যোগদান করে। সেবাশ্রমের কার্যক্রম প্রকাশ হয়ে পড়ায় তরুণ তারকেশ্বর ব্রিটিশ বাহিনীর হাতে অন্তরীণ হন এবং হিজলী ক্যাম্পে বন্দি ছিলেন। বন্দি শিবির থেকে বন্দিদের নিয়ে পালানোর উদ্দেশ্যে মাথার উপর তাক করা ইলেক্ট্রিক বাল্ক্ব থাবা মেরে ছিঁড়ে ফেলার সময় ব্রিটিশদের পোষ্য বাহিনীর গুলিতে তার খুলি উড়ে যায় এবং তিনি নিহত হন। সেই স্থান আজও মর্মর ফলকে চিহ্নিত হয়ে আছে। যেখানে লেখা আছে- 

শহীদ তারকেশ্বর সেনগুপ্ত
জন্ম- গৈলা (বরিশাল)
১৫ এপ্রিল, ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দ
মৃত্যু-হিজলী বন্দি শিবির
১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দ

হিজলী বন্দি শিবিরে ইংরেজ শাসকের গুলিবর্ষণে দেশের মুক্তিযজ্ঞে তোমাদের শৌর্যময় আত্মাহুতি শ্রদ্ধাবনত অন্তরে স্মরণ করি।

'তোমাদের গুণমুগ্ধ 
'স্বদেশবাসিগণ' 

মধ্যযুগের মনসামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা বিজয় গুপ্তের জন্মস্থানও এই গ্রামের মানসী ফুলশ্রী। কবি নিজেই যেমন বর্ণনা করেছেন তাঁর জন্মস্থান সম্পর্কে- 

'পশ্চিমে ঘাঘর নদ পূবে ঘণ্টেশ্বর
মধ্যে ফুলশ্রী গ্রাম পণ্ডিনগর
স্থানগুণে যেই জন্মে সেই গুণময়
হেন ফুলশ্রী গ্রামে বসতি বিজয়।'

আমরা যারা গ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নগরে দিনযাপন করি, তাদের বেদনা অপরিসীম। কারণ যারা গ্রামে জন্মে গ্রামেই থেকে গেছে, তাদের নগর নিয়ে হাহাকার নেই। গ্রাম নিয়েও তেমনটা থাকার কথা নয়। দেশভাগের যন্ত্রণার মতো, যারা তৎকালীন পূর্ববঙ্গ থেকে পশ্চিমবাংলায় গিয়েছেন এবং যারা পশ্চিমবাংলা থেকে পূর্ববাংলায় এসেছেন তাদের উভয়ের যে গূঢ়-গভীর বেদনা, তা অন্যদের বুঝে ওঠার কথা নয়। হারানোর বেদনা সেই জানে, যার হারিয়েছে।

নিজ গাঁয়ের কথা লিখতে গিয়ে মনে পড়ছে পল্লিকবি জসিম উদ্‌দীনের কথা- 'তুমি যাবে ভাই যাবে মোর সাথে আমাদের ছোট গাঁয়/গাছের শাখায় বনের লতায় মোর শিশুকাল যবে লুকায়েছে হায়/ আজিকে সে সব সরায়ে সরায়ে খুঁজিয়া লইব তায়।' আসলে আজ আর সেসব খুঁজে নেয়ার সুযোগ নেই। সবই আজ স্মৃতিতে ঘেরা। বাস্তবে এর কিছুই আর দৃশ্যমান নেই। গ্রামের প্রকৃতিকে আমরা পাল্টে দিয়েছি স্বহস্তে। দেশভাগের ফলে এপার-ওপার হয়েছে অনেক মেধা ও মনীষা। আমাদের নিজস্ব বৃক্ষরাজিকে ফেলে আমরা মেহগনি, চাম্বুল, ইউক্যালিপ্টাস লাগিয়ে পরিবেশকে এতটাই বিপদসংকুল করেছি; এই গাছগুলোর পাতা পচেও না। জলাশায় ক্ষতিগ্রস্ত করে। মাটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অথচ আমাদের প্রকৃতিবান্ধব কত গাছপালা আছে, ছিল; কিন্তু আমরা তা হারিয়ে ফেলছি হেলায় হেলায়। গ্রামও হারিয়ে ফেলেছে তার অনেক কিছুই। ছায়া সুনিবিড় গাছতলা আর নেই। অন্ধকারে জোনাকিরা আর ভিড় করে না কোনো ঝোপঝাড়ে। রাত্রির নৈঃশব্দ্য ভেঙে খট্‌ খট্‌ করে ঢুকে পড়ে ভটভটি, মোটরসাইকেল কিংবা যে কোনো বাষ্পশকট। গ্রামের অনেক কিছুই এখন রূপকথার গল্প। রাত্রির অন্ধকারে ঢুকে পড়েছে বৈদ্যুতিক আলো। রাস্তা-ঘাট এখন আর কর্দমাক্ত নয়। শিশির ধুয়ে দেয় না পা। গ্রামের পেটের ভিতর ঢুকে পড়েছে পিচঢালা পথ। রিকশার ঘণ্টাধ্বনি। বাসের হাইড্রোলিক হর্ন। এমনকি নিয়ন সাইনবোর্ডে ছেয়ে গেছে গ্রামীণ হাটবাজার। শাক-সবজি, ফল-মূল, তরি-তরকারি- সবকিছুই এখন নগর হয়ে এই গ্রামে প্রবেশ করে। বস্ত্রালয় হয়েছে ক্লথ স্টোর্স। ঘোষদের মিষ্টান্ন ভান্ডার হয়ে গেছে সুইটমিট। মানুষের ব্যবহার্য প্রাকৃতিক জিনিসপত্রের স্থান দখল করেছে পুঁজিবাদের পণ্য সকল। যেমন টুথব্রাশের কাছে পরাজিত হয়েছে নিমের ডাল। স্মার্টফোনের কাছে মাথা নিচু করে আছে গ্রামের অধিকাংশ যুবক-যুবতী, কিশোর-কিশোরী। তবে এই পরিবর্তন সব যে মন্দ; তা নয়। অনেক কিছুতে আছে এর প্রয়োজন। তবে সেই প্রয়োজনীয়তা মিটছে না। যেমন গ্রামে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি দরকার। এমন ঘটনা আছে, ৮০ বছর গ্রামে পার করে শেষমেশ গলব্লাডার কিংবা কিডনিতে পাথর অপসারণের জন্য তাকে ঢাকায় আসতে হচ্ছে। যে ঢাকার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক স্থাপিত হয়নি। এমনকি সব জেলা শহরেও এটা সম্ভবপর নয়। ঢাকাকে আমরা সবকিছুর কেন্দ্র করে বড় যে ভুলটা করেছি, তার ফল ওই লোকটিকেও ভোগ করতে হচ্ছে। হচ্ছে ঢাকাবাসীকেও। ঢাকাকে বিকেন্দ্রীভূত না করলে এই ঢাকার বিপদ আছে। সবকিছু ঢাকাকেন্দ্রিক করে এমনিতেই ঢাকার ১২টা বাজানো হয়েছে। এখনও হয়তো সময় আছে বিকেন্দ্রীকরণের, তাহলে সব দিক থেকেই মঙ্গল হতো। যাই হোক, সে আলোচনা এখানে আর দীর্ঘায়িত না করি।  

শুরু করেছিলাম বহুদিন পর নিজগ্রামে যাওয়া নিয়ে। কিন্তু হারিয়ে গেলাম গ্রামেই, অন্যভাবে। আমার এক পরিচিতা যার সঙ্গে কৈশোরে পরিচয় হয়েছিল, তার মামাবাড়িতে। বহু বছর পেরিয়ে গেছে; আমাদের কোনো যোগাযোগ ছিল না। এই নগরের একটি রেস্তরাঁয় প্রায় ২৫ বছর পর হঠাৎ ওর সঙ্গে দেখা হলো গত বছর। ওর নাম রূপসা। রূপসার মামাবাড়ির প্রবেশপথের একটি ছবি মোবাইল ফোনে তুলে ওকে মেসেঞ্জারে পাঠালাম। এই পথে আমরা বহু হেঁটেছি। কিন্তু আজ সে পথে দীর্ঘ বিরহের ধুলো জমেছে। অপ্রাপ্তিতে ভরে গেছে পুরনো পথের দু'ধার। পথটাও অপরিচিত হয়ে গেছে। এই পথে আমারও যাওয়া হয় না ২৫ বছর।  ছবিটি দেখে সে লিখল :'কতদিন পর দেখলাম। বুকের মধ্যে কেমন যেন একটা হাহাকার বোধ হলো। আহারে ছেলেবেলা! সেইসব দিন...।' 

সত্যিই, এমন কিছু পথ পেরিয়ে এসেছি, যেখানে ফিরে গেলে কিছু উজ্জ্বল স্মৃতি চুপ করে তাকিয়ে থাকে, যা আর ভোলা যায় না। যা আর অন্য কাউকে বলাও যায় না। গ্রাম যতই বদলাতে থাকে, স্মৃতি তো আর বদলায় না।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২০

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ (প্রিন্ট), +৮৮০১৮১৫৫৫২৯৯৭ (অনলাইন) | ইমেইল: samakalad@gmail.com (প্রিন্ট), ad.samakalonline@outlook.com (অনলাইন)