সুযোগ আছে চীনে

১৪ জানুয়ারি ২০২০

জাবেদ ইকবাল

ভাষাগত জটিলতার কারণে চীনে পড়তে যাওয়া কয়েক বছর আগেও সহজ ছিল না। এখন শিক্ষাক্ষেত্রে বিশ্বায়ন শুরু করেছে চীন। সে দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এমবিবিএস বিষয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ৪৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা হালনাগাদ করেছে। বর্তমানে চীনের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) অনুমোদিত। বাংলাদেশি ছাত্ররা শুধু বিএমডিসি অনুমোদিত এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রি নিলে তা বাংলাদেশে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে গ্রহণযোগ্য হবে। ঠিক একইভাবে বাংলাদেশ থেকে যারা এমবিবিএস পাস করে চীন থেকে মাস্টার্স অথবা পিএইচডি কোর্সে পড়াশোনা করতে চান, তাদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। আমাদের দেশে ডাক্তারি কিংবা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তিচ্ছু ছাত্রছাত্রীদের সম্মুখীন হতে হয় তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভর্তিযুদ্ধের এবং যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেকে কাঙ্ক্ষিত বিষয়ে ভর্তি হতে ব্যর্থ হয়, আবার অনেকেরই পড়তে হয় শিক্ষাবিরতির অকাল বিড়ম্বনায়। চীনের বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও অধ্যয়নের ব্যাপারে বাংলাদেশ থেকে কনসালট্যান্সি প্রদান করে, এমন একটি প্রতিষ্ঠান Digi-Edu-Pro@Study in China এর সিইও মইনুল হক জানান, চীনে অধ্যয়নের ব্যাপারে পরামর্শসহ অ্যাডমিশন থেকে শুরু করে এয়ারপোর্ট পিক-আপ, চায়নাতে লোকাল গাইড হিসেবে যাবতীয় কাজ করে তার প্রতিষ্ঠান। তিনি বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ শিক্ষার্থী চীনে এমবিবিএস পড়তে যাচ্ছেন, এর বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই তার প্রতিষ্ঠানের পরামর্শ ও সহযোগিতায় চীনের বিভিন্ন বিশ্ববদ্যালয়ে ভর্তি গ্রহণ করছেন। বর্তমানে চীনের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কলারশিপ নিয়ে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন প্রোগ্রামে, বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাচেলর, মাস্টার্স, পিএইচডি, চায়নিজ ভাষা, এমবিবিএস, বিডিএস, নার্সিংয়ে অধ্যয়ন করতে গেছেন। মেডিকেলে অধ্যয়নের জন্য তারা ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে অবস্থানকারী চীনের অনেক স্বনামধন্য মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করছেন। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট কোর্সের খরচ বাংলাদেশের একটি প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে পড়ার যে খরচ তার তুলনায় আরও কম। তবে চীনে অধ্যয়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় বিবেচনা করা জরুরি তা হলো- অনেক অভিভাবক অনেক সময় অসৎ ব্যক্তির দ্বারা ভর্তি সহায়তা নিতে গিয়ে ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হন। যেমন বার্ষিক টিউশন ফিসহ অন্যান্য যা খরচ, তা থেকে খরচ কম দেখিয়ে শিক্ষার্থীকে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু পরে দেখা যায়, বাস্তবিক অর্থে খরচ যা তিনি প্রথমে জেনেছিলেন, তার চেয়ে অনেক বেশি। তাই সঠিক খরচ সম্পর্কে জানা এবং যে পরিমাণ খরচ অভিভাবকের পক্ষে বহন করা সম্ভব, ঠিক সেই খরচের বিশ্ববিদ্যালয়েই শিক্ষার্থীর জন্য ভর্তির ব্যবস্থা করা উচিত। তবে অবশ্যই আপনি চীনে যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাইলে সংশ্নিষ্ট বিশ্ববিদ্যালযের ওয়েবসাইট এবং সংশ্নিষ্ট কলেজ অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন আছে কিনা তা সঠিকভাবে জেনে নেবেন। যারা মেডিকেল কোর্সে অধ্যয়ন করবে, তাদের পক্ষে পড়াশোনার বাইরে অন্য কোনো কাজ নিয়ে ভাবনার অবকাশ নেই।

বিস্তারিত জানতে :হাউস #১১৩/সি (তৃতীয় তলা), রাজলক্ষ্মী মেইন রোড, সেক্টর # ৪, উত্তরা, ঢাকা। ফোন- ০১৭৪৭২৭৩৭৮১, ০১৬১৭১১১১১০।

www.digiedupro.com

© সমকাল ২০০৫ - ২০২০

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ (প্রিন্ট), +৮৮০১৮১৫৫৫২৯৯৭ (অনলাইন) | ইমেইল: samakalad@gmail.com (প্রিন্ট), ad.samakalonline@outlook.com (অনলাইন)