উদ্ধারকারী জাহাজের ধাক্কায় ‘মারাত্মক ফাটল’ বুড়িগঙ্গা সেতুতে

২৯ জুন ২০২০

সমকাল প্রতিবেদক

বুড়িগঙ্গা সেতু- ফাইল ছবি

উদ্ধারকারী জাহাজের ধাক্কায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পোস্তাগোলা ব্রিজ নামে পরিচিত প্রথম বুড়িগঙ্গা সেতু। সেতুর পূর্ব পাশের দু'টি গার্ডারে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। গার্ডার দু'টি প্রতিস্থাপন করতে হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) অতিরিক্ত প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান।

ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সোমবার সন্ধ্যায় চারলেনের সেতুর পূর্ব পাশের দুই লেনে যান চলাচল বন্ধ করা হয়। রাজধানীর ব্যস্ততম এ প্রবেশ সংকোচিত হওয়ায় সেতুর দুই পাশে হাজারো যানজটে যানবাহন আটকা পড়ে। স্থানীয় এমপি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা জানান, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে। যানবাহনকে বিকল্প পথ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার সকালে 'ময়ূর-২' নামের একটি লঞ্চের ধাক্কায় 'মর্নিং বার্ড' নামে ছোট আরেকটি লঞ্চ অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে বুড়িগঙ্গায় ডুবে যায়। এটি উদ্ধারে নারায়ণগঞ্জ থেকে আসার পথে উদ্ধারকারী জাহাজ ধাক্কা লাগে পোস্তাগোলা সেতুতে। বর্ষায় নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে সেতুর নীচে নৌপথের উচ্চতা কমে গেছে। অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ কারণে উদ্ধারকারী জাহাজের ক্রেন সেতুতে ধাক্কা খায়।

প্রথমে ঘটনা সামান্য মনে হলেও পরে সওজ জানায় আঘাত গুরুতর। চীনের আর্থিক সহায়তায় ১৯৮৮ সালে নির্মিত পোস্তাগোলা সেতুর বড় ক্ষতি হয়েছে। সওজের ঢাকা জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সবুজ উদ্দিন খান জানান, সেতুর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ও বিশেষজ্ঞদের কাছে ক্ষতিগ্রস্ত গার্ডারের ছবি পাঠানো হয়েছে। তাদের প্রাথমিক মত গার্ডার প্রতিস্থাপন করতে হবে। মঙ্গলবার বিশেষজ্ঞরা দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চূড়ান্ত মতামত জানাবেন।

নবনির্মিত ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে রাজধানীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পোস্তাগোলা সেতুর মাধ্যমে। বাবুবাজার সেতু হয়েও এক্সপ্রেসওয়েতে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। তবে বাবুবাজার সেতুর পর কেরানীগঞ্জ থেকে কদমতলী পর্যন্ত ফ্লাইওভারের কাজ এখনো শেষ হয়নি। তাই অধিকাংশ যানবাহন পোস্তাগোলা হয়ে চলাচল করে। এ সেতুতে বন্ধ হলে, দক্ষিণবঙ্গে যাত্রীদের ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২০

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ (প্রিন্ট), +৮৮০১৮১৫৫৫২৯৯৭ (অনলাইন) | ইমেইল: samakalad@gmail.com (প্রিন্ট), ad.samakalonline@outlook.com (অনলাইন)