বিডিবিও-সমকাল বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান উৎসবের সমাপনী

বিজ্ঞানমনস্ক অসাম্প্রদায়িক প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়

২৫ জুলাই ২০২০ | আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২০

সমকাল প্রতিবেদক

মহামারির প্রতিকূলতা জয় করে জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হলো বিডিবিও-সমকাল বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান উৎসব। নির্বাচিত হলেন জাতীয় পর্যায়ের বিজয়ী ১৪ জন। তারা আরও একটি ভার্চুয়াল বায়োক্যাম্পে অংশ নেবেন। তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন চারজন চূড়ান্ত বিজয়ী, যারা আন্তর্জাতিক জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

গতকাল শুক্রবার অনলাইনে জুম প্ল্যাটফরমে অনুষ্ঠিত হয় অলিম্পিয়াডের সমাপনী আয়োজন। বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের প্রধান প্রশিক্ষক অধ্যাপক ড. রাখহরি সরকার, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ড. সলিমুল্লাহ, আয়োজনের সহযোগী কথাপ্রকাশের স্বত্বাধিকারী জসিম উদ্দিন, কারিগরি সহায়তা দেওয়া প্রতিষ্ঠান ল্যাব বাংলার চেয়ারম্যান রাখাল রাহা এবং বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র চক্রবর্তী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমকালের সহকারী সম্পাদক ও সুহদ সমাবেশের প্রধান সিরাজুল ইসলাম আবেদ।

শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, বর্তমানে মহামারির সময়ে জীববিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা সবার সামনে উন্মোচিত হয়েছে। শুধু ভাইরাস নয়, আরও অনেক রকম জীবাণু, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ-আক্রমণ হতে পারে। সেসব থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় জীববিজ্ঞানের গবেষণার বিষয়। তিনি বলেন, আগের জীববিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণার সঙ্গে আজকের পার্থক্য অনেক। এখন মলিকুলার বা আণবিক জীববিজ্ঞান গবেষণা সামনে এসেছে। রাসায়নিক ও পদার্থবিদ্যার গবেষণা এবং উদ্ভাবন এখন জীববিজ্ঞানকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। যেমন এই মহামারির সময়ে পিসিআর খুব আলোচিত হচ্ছে। এই পিসিআর পদার্থবিদ্যার আবিস্কার, কিন্তু তা মুখ্য ভূমিকা রাখছে জীববিজ্ঞানের কাজে। এভাবে এখন বিজ্ঞানচর্চা একটা শাখার সঙ্গে আরেকটা সম্পর্কিত।

তিনি আরও বলেন, এই অলিম্পিয়াড আয়োজনের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে বিজ্ঞানচর্চার সঙ্গে তরুণদের সম্পৃক্ত করা, বিজ্ঞানমনস্ক আগামী প্রজন্ম তৈরি করা। এবার মহামারির সময়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অনলাইনে যে প্রতিযোগিতা হচ্ছে, তাও ডিজিটাল প্রযুক্তির ফসল। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন দেখিয়ে তা বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বর্তমান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি বলেন, সমকাল সবসময়ই বিজ্ঞানের আয়োজনের সঙ্গে আছে। বিজ্ঞানবিষয়ক আয়োজন হয়েছে, সেখানে সমকালকে সম্পৃক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সমকাল সম্পৃক্ত হয়নি, এমন কোনো ঘটনা নেই। বরং সমকাল থেকেও একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক আয়োজনের জন্য। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ভাষার জন্য লড়াই করেছে, স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়েছে, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লড়াই এখনও চলছে। সেই লড়াইকে সমকাল জন্মলগ্ন থেকেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড থেকে হয়তো বড় বিজ্ঞানী নাও আসতে পারে; কিন্তু বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ তৈরি হবে, যারা একটি বিজ্ঞাননির্ভর সমাজ নির্মাণে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, গত বছর হাঙ্গেরিতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের মূল আসর থেকে সাফল্য এসেছিল, এবার সূর্যোদয়ের দেশ থেকে আরও বড় সাফল্য নিয়ে আসার স্বপ্ন ছিল। তবে মহামারির কারণে আয়োজনের চরিত্র বদলালেও সাফল্যে প্রত্যাশা আছে এবং নতুন বাস্তবতায় এ আয়োজন সার্বিকভাবে সফল হবে বলে দৃঢ় প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।

অধ্যাপক রাখহরি সরকার বলেন, এই মহামারির সময়ে এ আয়োজন ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ জয় করে শেষ পর্যন্ত জাতীয় পর্যায়ে সফলভাবে শেষ হচ্ছে, এটা অনেক বড় আনন্দের। তিনি বলেন, অনেকের ধারণা জীববিজ্ঞান বিজ্ঞানের খুব সহজ শাখা। আসলে এটি খুবই কঠিন গবেষণার বিষয়। সেই গবেষণার সঙ্গে সহজ পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মাধ্যম হচ্ছে জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড। প্রতিবছর সেই আয়োজন জাতীয় পর্যায় থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হচ্ছে। এই আয়োজনে বাংলাদেশের তরুণরা আরও বেশি সাফল্য নিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

ড. সলিমুল্লাহ বলেন, তার প্রতিষ্ঠান জীববিজ্ঞানের প্রযুক্তিগত ব্যবহার নিয়ে কাজ করে। যেমন এখন যে পিসিআরের কথা বলা হচ্ছে, সেটা জীববিজ্ঞানের প্রযুক্তিগত ব্যবহার। তিনি বলেন, এনআইবির যন্ত্রপাতির কিছু অপ্রতুলতা সত্ত্বেও তিনি তার নিজের সামর্থ্যের মধ্যেই করোনাভাইরাসের জিনম সিকোয়েন্স করেছেন। এটা প্রমাণ করেছে সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে, কিন্তু তা জয় করে সাফল্য অর্জন করা যায়। সীমাবদ্ধতা সাফল্য অর্জনের পথে বাধা হয় না। তিনি বলেন, এনআইবি এ ধরনের একটি বড় আয়োজনের সঙ্গে থাকতে পেরে গর্বিত।

জসিম উদ্দিন বলেন, কথাপ্রকাশ দেশে সৃজনশীল প্রকাশনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সৃজনশীল উদ্যোগেও সম্পৃক্ত থাকছে। জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে যুক্ত থাকতে পেরে কথাপ্রকাশ নিজেকে ধন্য মনে করছে। মহামারির চ্যালেঞ্জ জয় করে একটি সফল আয়োজনের জন্য তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।

রাখাল রাহা বলেন, মহামারির প্রতিকূলতা জয়ের জন্য এখন প্রযুক্তি ও কারিগরি দিকটি প্রধান হয়ে উঠেছে। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অনেক বড় বড় আয়োজন এখন হচ্ছে অনলাইনে। এই প্রযুক্তি থাকার কারণেই মহামারিতে কোনো আয়োজন শেষ পর্যন্ত বন্ধ হচ্ছে না। ল্যাব বাংলা এ ধরনের আয়োজনে যুক্ত থাকতে পেরে গর্বিত।

সৌমিত্র চক্রবর্তী বলেন, এবার সত্যিকার অর্থে এ আয়োজন নিয়ে সংশয়ের দোলাচল সৃষ্টি করেছিল মহামারি। সবার সহযোগিতায় সেই সংশয় কাটিয়ে সাফল্য এসেছে। সফল প্রতিযোগিতা শেষে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা একটি বড় অর্জন।

সঞ্চালক সিরাজুল ইসলাম আবেদ জানান, এবারের জাতীয় পর্যায়ে জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড শুরু হয়েছিল ১৫ ফেব্রুয়ারি। সারাদেশকে ১২টি অঞ্চলে ভাগ করে শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতায় প্রায় আট হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। কিন্তু ৭টি অঞ্চলের মধ্যে আয়োজন হওয়ার পর মহামারির বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে আয়োজন স্থগিত রাখতে হয়। পরে অনলাইন প্ল্যাটফরমে এই প্রতিযোগিতা আবারও শুরু হয়।

অঞ্চলভিত্তিক প্রতিযোগিতা শেষে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ১ হাজার ৪৪১ জন অংশ নেন। এর মধ্য থেকেই জাতীয় পর্যায়ে ৪৪ জন বিজয়ী হন। এই বিজয়ীরা শুক্রবারই আরও একটি পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্য থেকে ১৪ জন নির্বাচিত হয়েছেন শেষ বায়োক্যাম্পে অংশ নেওয়ার জন্য। এখান থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশ নেওয়ার জন্য চূড়ান্তভাবে চারজন নির্বাচিত হবেন।

বায়োক্যাম্পের জন্য মনোনীত ১৪ জন : ভার্চুয়াল বায়োক্যাম্পে জায়গা করে নেওয়া ১৪ জন হলেন- খন্দকার ইশরাক আহাম্মদ, মো. তন্ময় ইসলাম, ফাহমিদা হাসি, আনিকা তাজরিয়ান খান, নাঈম কবির অনন্ত, মো. ইমরান সাফায়েত, ফারহান সাদিক, হূদ্ধি হূত্বিকা বসু, রায়ান রহমান, শাদমান সাকিব, তৌফিক আজিজ, তাসনিম আফিফা অপলা, শাকিলা নাহার এবং আবরার জামিল।

জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী ৪৪ জন : উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে চ্যাম্পিয়ন অব দ্য চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ফাহমিদা হাসি (ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল, বাংলাদেশ) এবং চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন জাকিয়া ইশরাত (ক্যান্ট. পাবিলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর)। প্রথম রানার আপ শাকিলা নাহার (অ্যাকাডেমিসিয়া) এবং আমরিন মেহজাবিন সুলতানা (বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ)। দ্বিতীয় রানার আপ হচ্ছেন হূদ্ধি ঋত্বিকা বসু (হলিক্রস কলেজ), নাইম কবির অনন্ত (নটর ডেম কলেজ), জয়িতা তালুকদার (এমসি কলেজ, সিলেট), অনিকা তাজরিয়ান খান (সাউথ ব্রিজ স্কুল), তাসনিম আফিফা অপলা (এসএফএক্স গ্রিন হেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল)।

মাধ্যমিক পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন অব দ্য চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন শাদমান সাকিব (রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ)। চ্যাম্পিয়ন সাজিদ জওয়াদ তালুকদার (গভ. ল্যাবরেটরি হাইস্কুল, রাজশাহী) এবং জাহিন তাসনিম নওশীন (ব্লু বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সিলেট)। প্রথম রানার আপ রায়হান রহমান (ওয়ার্ড ব্রিজ স্কুল), অরিন সাহা অদ্রি (বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বগুড়া), আতিক ইয়াসির (মিলিটারি কলেজ স্কুল, খুলনা), সুরভি রশীদ সুহা (বিন্দুবাসিনী গভ. গার্লস স্কুল, টাঙ্গাইল), অম্লান দে অভিক (ময়মনসিংহ জেলা স্কুল) এবং তাহেরা তাবাচ্ছুম জেরিন (বিদ্যাময়ী গভ. গার্লস হাইস্কুল)।

দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন প্রাচুর্য্য দাস (স্কলাস্টিকা), শাবাব রহমান (গভ. সায়েন্স কলেজ অ্যাটাসড হাইস্কুল), তৌহিদুর রহমান শিশির (ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ), মাহীন মমতা হাসান (সৃজনী বিদ্যানিকেতন), খোন্দকার ইশরাক আহমেদ (সেইন্ট জোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল, ঢাকা), তন্ময় ইসলাম (অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল), নাজমুস সাকিব (ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ), রায়হান আলম রায়হান (আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ), আবরার জামিল (সেইন্ট জোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল, ঢাকা) এবং জেসিয়া সুলতানা (মিলিটারি কলেজ স্কুল, খুলনা)।

জুনিয়র পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন অব দ্য চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এমএসটি মাইশা মাহবুব (ব্লু বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সিলেট)। চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ইমরান শাফায়েত (বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চট্টগ্রাম)। প্রথম রানার আপ তৌফিক আজিজ (গভ. মুসলিম হাইস্কুল), সুহাহিল মাহমুদ (কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ) এবং ধীমান দাস দীপ (গভ. সিলেট পাইলট হাইস্কুল)।

দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন সৈকত সরকার (বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বগুড়া), নীলেশ সাহা (নোয়াখালী জেলা স্কুল), এইচ এম কবির হাসান (সাউথ হেরাল্ড ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ), অনুপমা শারমিন অনন্যা (বিদ্যাময়ী গভ. গার্লস স্কুল), আসিফ আল আমিন চৌধুরী (প্যারামাউন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজশাহী), সানজিদা বুশরা (আমিনা বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ), ফারহান সাদিক (মনিপুর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ), তাসফিয়া সুহা (গভ. করনেশন সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল, খুলনা), তাহসিন আলম (পুলিশ লাইন সেকেন্ডারি স্কুল, যশোর) এবং মাহফুজা আনিকা (পুলিশ লাইন সেকেন্ডারি স্কুল, যশোর)।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২০

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ (প্রিন্ট), +৮৮০১৮১৫৫৫২৯৯৭ (অনলাইন) | ইমেইল: samakalad@gmail.com (প্রিন্ট), ad.samakalonline@outlook.com (অনলাইন)