ম্যানসিটির ২১৬ মিলিয়নের মিডফিল্ড রুখতে পারবে রিয়ালকে?

প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০ । ২০:১৫

অনলাইন ডেস্ক

ছবি: ফাইল

রিয়াল মাদ্রিদ ২০১৫ সাল থেকে মিডফিল্ডের পেছনে খরচা করেছে মাত্র সাত মিলিয়ন ইউরো। এই সময়ে মিডফিল্ড শক্ত করে দল সাজাতে পছন্দ করা ম্যানচেস্টার সিটির পেপ গার্দিওয়ালা মিডফিল্ডে ঢেলেছেন ২১৬ মিলিয়ন ইউরো। দুই দলের অর্থ লগ্নির পার্থক্য ২০৯ মিলিয়ন ইউরো।

ম্যানসিটি অবশ্য ওই মিডফিল্ড দিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে রাজত্ব করেছে গেল দুই মৌসুম। চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগেও রিয়ালকে দর্শক ভরা মাঠে হারিয়ে এসেছে ওই মিডফিল্ড দিয়েই। তবে এবার পরীক্ষাটা ঘরের মাঠে রিয়ালকে রুখে দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আটে যাওয়ার। চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার, যা পেপ গার্দিওয়ালা বার্সেলোনা ছাড়ার পরে জিততে পারেননি।

রিয়াল মাদ্রিদের মাঝমাঠের মূল ভরসা টনি ক্রুস, লুকা মডরিচ ও কাসেমিরো। এদের মধ্যে টনি ক্রুস ২০১৪ সালে এবং লুকা মডরিচ ২০১২ সালে রিয়ালে এসেছেন। ২০১৫ মৌসুমে সাত মিলিয়ন ইউরো দিয়ে কেনা কাসেমিরো ধারের মেয়াদ শেষ করে রিয়ালে ফিরে আসেন। ওটাই রিয়ালের একমাত্র বিনিয়োগ। ফেদে ভালভার্দে রিয়াল একাডেমিতে বড় হয়েছেন। দেপোর্তিভোয় ধারের মেয়াদ শেষ করে ২০১৮ সালে রিয়ালে এসে চলতি মৌসুমে অসাধারণ খেলছেন তিনি।

অন্যদিকে ম্যানসিটি ২০১৫ সালে ৭৬ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে কেভিন ডি ব্রুইনি, ২০১৬ সালে ২৭ মিলিয়নে গুন্ডোগান, ২ মিলিয়ন দিয়ে জিনচিনকো, ২০১৭ মৌসুমে ডেভিড সিলভাকে ৫০ মিলিয়ন দিয়ে, ২০১৮ মৌসুমে রিয়াদ মাহরেজকে ৬৭.৮ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে কিনেছে। চলতি মৌসুমে রদ্রিকে সিটি কোচ পেপ কিনেছেন ৭০ মিলিয়ন ইউরো খরচায়। আর ফিল ফোডেনকে পেয়েছেন একাডেমি থেকে।

পেপ গার্দিওয়ালা তার ওই মিডফিল্ডের কারিশমা রিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচে দেখিয়েছেন। পাঁচ ফুটবলারকে মিডফিল্ডে খেলিয়েছিলেন তিনি। গোলের সামনে রেখছিলেন শুধুই গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে। রিয়ালের বিপক্ষে এল ক্লাসিকোয় বার্সার ডাগ আউটে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা থাকায় জিদানের ছক দ্রুত বুঝে নিয়েছিলেন গার্দিওয়ালা। বৃহস্পতিবার রাতের ম্যাচে জিদানের সামনে আরও একবার গার্দিওয়ালার দিতে হবে পরীক্ষা। জিদানের পরীক্ষা সিটির মিডফিল্ড রুখে দেওয়া।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com