চিঠিপত্র

প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর ২০ । ০০:০০ | আপডেট: ১২ ডিসেম্বর ২০ । ০৩:১০ | প্রিন্ট সংস্করণ

--

ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করুন

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সব কাজে ওজন পরিমাপের বিষয়টি জড়িত। হাটবাজারে অধিকাংশ পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে হয় ওজনের ওপর ভিত্তি করে। এ সুযোগকে পুঁজি করে কিছু অসাধু বিক্রেতা ওজনে কারচুপি করে ভোক্তাদের ঠকাচ্ছেন। ক্রেতাদের সামনে ডিজিটাল যন্ত্রের মাধ্যমে ওজন মাপা হলেও সেখানে বিভিন্ন কায়দায় ওজনে কম দেওয়া হচ্ছে। বাজারে ক্রয়কৃত পণ্যের সঠিক ওজন যাচাইয়ের ব্যবস্থা না থাকায় একদিকে ওজনে কম দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে, অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভোক্তাসাধারণ। তাই ভোক্তাদের স্বার্থে প্রতিটি হাটবাজারে ক্রয়কৃত পণ্যের ওজন যাচাইয়ের জন্য দৃষ্টিগোচর স্থানে ডিজিটাল মিটার স্কেল স্থাপনের জন্য সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। একই সঙ্গে বিএসটিআই অনুমোদনহীন মিটার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, পণ্যের মূল্যতালিকা প্রদর্শন করা ও ভেজাল পণ্য বন্ধ করার ক্ষেত্রে সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত বাজার তদারকির আহ্বান জানাচ্ছি।

মো. সাইমুন
শিক্ষার্থী, সরকারি কমার্স কলেজ

আবাসিক এলাকায় জলাধার চাই

আমাদের দেশে প্রায়ই বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুর্ঘটনা বা ত্রুটির কারণে অঞ্চলভিত্তিক বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকে। কিছুদিন আগেও সিলেটের কুমারগাঁও পাওয়ার গ্রিডে অগ্নিকাণ্ডের কারণে সিলেট শহর ও সুনামগঞ্জের কিছু এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। প্রায় ৩৩ ঘণ্টা পর নগরীর এক-চতুর্থাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ মিলেছিল। তারপর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পানির সংকটে পড়েছিল নগরবাসী। শুধু সিলেট শহরেই নয়, অন্যান্য শহরাঞ্চলেও হঠাৎ অপ্রত্যাশিতভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলে এই সংকটের সৃষ্টি হয়। কারণ, শহর এলাকায় সাধারণত বৈদ্যুতিক মোটর দিয়ে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করে প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটানো হয়ে থাকে। যার ফলে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলে পানির সংকট তৈরি হয়। শহরের আবাসিক এলাকায় জলাধার সৃষ্টি করা গেলে এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। তবে শুধু জলাধার সৃষ্টি করলেই চলবে না, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে এবং যেসব জলাধার বর্তমানে রয়েছে, সেগুলোও সংস্কার করতে হবে।

নুর মোহাম্মদ শাওন
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া

দখলদারিত্ব বন্ধ হোক

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অন্যায়ভাবে অসহায় মানুষের জমি দখল করে নিচ্ছে প্রভাবশালীরা। স্থানীয় বা গ্রাম্য সালিশে, এমনকি থানায় মামলা করেও দখল হওয়া জমি ফেরত পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা। উপরন্তু যারা জমি ফেরত পেতে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন, তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে এলাকাছাড়া করছে দখলদার গোষ্ঠী। জমি হারানোর পাশাপাশি দখলদারদের রোষানল থেকে রক্ষা পেতে পরিবার-পরিজন নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অনেকেই। সামাজিক বা আইনি কোনো প্রক্রিয়াতেই তাদের দখলদারিত্ব ঠেকানো যাচ্ছে না। এ অবস্থায় দখলদারদের রুখতে এবং ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. মিরান উদ্দিন
শিক্ষার্থী, গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com