বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় ছাত্রলীগের আনন্দ র‌্যালি

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২১ । ২২:০৫

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ র‌্যালি ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছে ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার সকালে র‌্যালিটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে শুরু হয়ে কলাভবন, ভিসি চত্বর, টিএসসি সহ ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যে এসে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব প্রদান করেন। শোভাযাত্রায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান সহ কেন্দ্রীয়, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে আল-নাহিয়ান খান জয় বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এটি আমাদের দেশের জন্য বড় অর্জন। জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত করিয়েছেন। তিনি এখন দেশরত্ন থেকে বিশ্বরত্ন।

সরকারের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ঠিক সেই সময়ে একটি পক্ষের চুলকানি শুরু হয়েছে, তাদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। তারা দিবাস্বপ্ন দেখেছিল সরকার হটানোর। এটি এত সহজ না। বাংলাদেশের ইতিহাস বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস, ছাত্রলীগের ইতিহাস। সেই ইতিহাসের অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা এখানে স্থান পাবে না।

প্রেসক্লাবে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদলের সংঘর্ষের বিষয়ে জয় বলেন, ‌‘আজকে জামাত শিবিরের প্রেতাত্মা, ছাত্রদলের গুণ্ডাদের উদ্দেশে বলতে চাই, গুণ্ডামি করে লাভ নেই। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মাঠে আছে। অছাত্রদের সংগঠন ছাত্রদলকে আর অরাজকতার সুযোগ আমরা দেব না।’

লেখক ভট্টাচার্য বলেন, বাংলাদেশ যখন আজকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে, যখনই আমরা কোনো সুখবর পাই, তখনই তাদের চুলকানি শুরু হয়। আপনারা দেখেছেন এই কোভিডের মধ্যে তারা একটার পর একটা ইস্যু তৈরি করে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার পাঁয়তারা করেছে। তারা আল জাজিরার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছে, ছাত্রদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে ছাত্র আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করেছে।

তিনি বলেন, এতদিন তারা বলত, পুলিশ তাদের ওপর হামলা করে, এখন আমরা দেখেছি পুলিশের উপর ছাত্রদলের গুণ্ডারা ন্যক্কারজনকভাবে হামলা করেছে। কারা অভ্যন্তরে একজন লেখকের মৃত্যুকে ইস্যু করার পাঁয়তারা করছে। রাজাকারের মদদপুষ্ট একদল রাজনৈতিক পরিবেশ ঘোলাটে করার ইস্যু তৈরি করেছে। বিপ্লবকে তারা ব্যবসা হিসেবে গ্রহণ করেছে।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, যে কোনো মৃত্যুই দুর্ভাগ্যজনক। যারা লাশ নিয়ে রাজনীতি করে, তাদের প্রতিহত করতে ছাত্রলীগ প্রস্তুত রয়েছে। লাশ নিয়ে আপনারা ব্যবসা করবেন, সওদাগিরি করবেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একটা কর্মীও জীবিত থাকতে আপনারা সফল হবেন না।

বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় দেশব্যাপী ছাত্রলীগের সকল ইউনিট একযোগে আনন্দ র‌্যালি উদযাপন করেছে।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২১

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com